রাজধানী শহরকে ৫০ শতাংশ দূষণ মুক্ত করার জন্য মোদী সরকারের পরিকল্পনা সফল হতে চলেছে।

ভারতের রাজধানী শহর দিল্লী সমস্থদিক থেকে উন্নত হলেও দুদিক থেকে পিছিয়ে রয়েছে দিল্লি। প্রথমত অতিমাত্রায় দূষণ দ্বিতীয় যানজট। কেন্দ্রে মোদী সরকার আসার পরেই এব্যাপারে উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আশ্বাস দিয়েছিল। পরে মোদী সরকার  দেশের বিজ্ঞানী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করে জানিয়েছিল সরকার কিছু বছরের মধ্যে দিল্লির দূষন ৫০ শতাংশ কমিয়ে দিতে সক্ষম হবে।

আসলে সরকার রাজধানী শহরের বাইরের দিকে একটা এক্সপ্রেস হাইওয়ে তৈরী করার সিধান্ত নেয়। তবে এই হাইওয়ে কোনো সাধারণ হাইওয়ে নয়। এটা এমন হাইওয়ে যেটা বিশ্বের যেকোন হাইওয়েকে টক্কর দেবে।আপনাদের জানিয়ে রাখি এই এক্সপ্রেসওয়ে তৈরির কাজ প্রায় সম্পুর্ন হয়েছে। সম্ভবত এই মাসের শেষ দিকেই উদ্বোধন করা হবে এই এক্সপ্রেসওয়ের। এই এক্সপ্রেস ওয়ের নাম দেওয়া হয়েছে ইস্টার্ন পেরিফেরাল এক্সপ্রেস ওয়ে।

  • পরিবেশ বিজ্ঞানীদের দাবি এই মাসে এই এক্সপ্রেস ওয়ে চালু হলেই দিল্লির যানজট এবং দূষণ দুটোই ৫০ শতাংশ কমে যাবে।
  • এই এক্সপ্রেসওয়ে তৈরির জন্য ৯১০ দিন সময় নেওয়া হয়েছিল যা ৫০০ দিনের থেকেও কম সময়ের মধ্যে তৈরি করে ফেলা হয়েছে।
  • ইস্টার্ন  পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়ে প্রায় ১৩৫ কিমি জুড়ে বিস্তৃত করা হয়েছে যেখানে এই প্রথম সোলার পাওয়ার লইটেনিং ব্যবহার করা হয়েছে।
  • এই এক্সপ্রেসওয়ে মধ্যে দিয়ে হিমাচল, জম্মুকাশ্মীর, রাজস্থান উত্তরপ্রদেশ থেকে আগত যানবাহন চলাচল করতে পারবে। এই যানবাহনগুলিকে আর দিল্লি শহরের ভেতর দিয়ে যেতে হবে না।
  • এক্সপ্রেসওয়ের যেদিকে চোখ যাবে সেদিকে সবুজ গাছপালা ছাড়া আর কিছু দেখা যাবে না একই সাথ পুরো এক্সপ্রেসওয়ে জুড়ে নানা রঙের ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে যা এক্সপ্রেসওয়ের সৌন্দয্যকে বাড়িয়ে তুলেছে।
  • এখানে রাজমার্গ যাতায়াত প্রণালী , VMS এর বিশেষ টেকনিককে এখানে ব্যবহার করা হয়েছে।এছাড়াও CCTV, ভিডিও ডেটেকটিং সিস্টেম, সতর্কীকরণ উপকরণ , স্পিড চেকিং সিস্টেম, যানবাহনের ওজন মাপার মেশিন, ফুটপাত ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক সিস্টেম দিয়ে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
  • কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনাকে লক্ষ করার জন্য সুরক্ষা কেন্দ্র তৈরী হয়েছে যেখানে সবসময় ভিডিও নজরদারি করা হবে।
  • এই এক্সপ্রেসওয়ের বিশেষত্ব এই যে, যতটা রাস্তা আপনি এই এক্সপ্রেস ওয়েতে যাবেন সেই অনুযায়ী আপনাকে টোলট্যাক্স মেটাতে হবে।
  • এক্সপ্রেসওয়ের দুপাশে ২.৫০ লক্ষ এর বেশি গাছ লাগানো হয়েছে এক্সপ্রেস ওয়েকে গ্রীনএক্সপ্রেস ওয়ে তৈরি করার জন্য।
  • এক্সপ্রেসওয়ের দুপাশে দেশের আধ্যাত্বিক ও ঐতিহাসিক মূর্তি বসানো হয়েছে যা ভারতের সংগস্কৃতিকে তুলে ধরবে।

এই এক্সপ্রেসওয়ে দেশের হাইটেক ওয়ে যা দেশের রাজধানীর মান অনেক বাড়িয়ে তুলবে।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close