Press "Enter" to skip to content

রাজনীতি করি ব্যবসা না যে বারবার দল বদলাব! মুকুলকে তুমুল কটাক্ষ মিহির-নিশীথের


কোচবিহারঃ বিজেপি ছেড়ে ে যেতেই দল ভাঙনের খেলায় নেমেছেন প্রাক্তন সর্বভাতিয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, রায়সাহেব ইতিমধ্যে ৩৫ জন সাংসদ-বিধায়কদের তৈরি করেছেন যারা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে দিতে পারেন। এছাড়াও বিজেপির বহু নেতা-বিধায়কদের ফোন করে তৃণমূলে আসার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। মুকুলের এই তৎপরতায় কার্যত আতঙ্কে ভুগছে গেরুয়া ির। আর এরই মধ্যে নতুন করে অস্বস্তি ছড়িয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একজন বিধায়ক আর সাংসদকে নিয়ে।

মুকুল তৃণমূলে যোগ দিতে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্াণিক (Nisith Pramanik) আর নাটাবাড়ির বিধায়ক মিহির গোস্বামীকে (Mihir Goswami) জল্পনা ওঠে। তবে সাংসদ আর বিধায়ক দুজনাই এই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন। সাংসদ আর বিধায়কের দাবি, তাঁদের নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়ায় যেই দলবদলের জল্পনা রটেছে তা নিছকই গুজব। আর এই গুজব ছড়িয়ে পড়ার জন্য তৃণমূল নেতা মুকুল রায়কে তীব্র কটাক্ষও করেছেন বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী।

বিজেপির বিধায়ক মিহিবাবু কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘কিছু কিছু নেতা আছেন যারা ক্ষমতার বাইরে থাকতে পারেন না। ওঁরা প্রথমে ভেবেছিল বিজেপি আসবে। সেই কারণে দল পাল্টে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিল। কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় না আসায় এঁরা আবার দল পাল্টে তৃণমূলে যোগ দিতে যাচ্ছে। আসলে এদের কাছে রাজনীতি হল ব্যবসার মতন।”

উল্লেখ্য, একুশের নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মিহির গোস্বামী। এরপর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গে সভা করতে গিয়ে মিহির গোস্বামীকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, ‘এঁরা জোয়ারে আসে আর ভাটায় চলে যায়।” ফলাফল ঘোষণার পর চারিদিকে যখন বিজেপি ছাড়ার হিড়িক লেগেছে, তখন নিজের জায়গায় কায়েম থাকতে চান মিহির গোস্বামী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, রাজনীতিটা ব্যবসা না। আর তিনি এই দুঃসময়ে দল ছেরেও যাবেন না। একই কথা কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকেরও।

একুশের ে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে হারিয়ে বিধায়ক হয়েছেন মিহির গোস্বামী। মুকুল দল ছেড়ে যাওয়ার পর ওনার দলবদলের জল্পনা ছড়াতে মিহিরবাবু বলেন, ‘কিছু কিছু নেতা আছেন যারা ক্ষমতার বাইরে থাকতে পারেন না। ওঁরা আশা করেছিল বিজেপি আসবে। কিন্তু বিজেপি না আসায় তাঁরা আবার পুরনো বাসায় ফেরত যাচ্ছে। এঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিল স্বার্থসিদ্ধির জন্য। এদের কাছে রাজনীতিটা ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।”