Press "Enter" to skip to content

রাজ্যসভায় তৃণমূলকে ভোট দিলেই কেল্লাফতে, মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ কাড়বে বিজেপি


ঃ কিছুদিন ধরে রাজ্য রাজনীতিতে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে, কৃষ্ণনগর উত্তরের প্রাক্তন মুকুল রায়কে () রাজ্যসভার সাংসদ করবে তৃণমূল (All India )। কিন্তু আচমকাই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দীনেশ ত্রিবেদীর ছেড়ে যাওয়া আসনে প্রসার ভারতীর প্রাক্তন কর্মকর্তা জহর সরকারকে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছে শাসক দল তৃণমূল । আরেকদিকে, বিজেপি বহুদিন ধরেই রাজ্যসভায় তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রার্থী দেওয়ার কথা ভাবছে। হার নিশ্চিত জেনেও প্রার্থী দেওয়ার পিছনে বড় পরিকল্পনা রয়েছে গেরুয়া শিবিরের।

প্রধান নিশানা হল মুকুল রায়। কারণ, বিজেপি জানতে চায় যে, তাঁদের টিকিটে জয়ী হয়ে বিধায়ক হওয়া রায়সাহেব কাকে ভোট দিচ্ছেন? কারণ, তৃণমূলে যোগ দিলেও , ফিরহাদ হাকিম এমনকি বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত মুকুল রায়কে বিজেপির সদস্য প্রমাণে ব্যস্ত।

মুকুলবাবু বর্তমানে পিএসির চেয়ারম্যান। ওই পদে বিরোধী দলের কোনও বিধায়ককেই বসানো হয়, কিন্তু তৃণমূল মোক্ষম চাল দিয়ে সেখানে মুকুল রায়কে বসিয়ে তাঁকে বিজেপির সদস্য বলেই আখ্যা দিয়ে চলেছে। আর এই কারণেই বিজেপি নতুন কৌশলের পথে হাঁটছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজ্যসভায় বিজেপি প্রার্থী দিয়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া মুকুল রায়ের অবস্থান প্রকাশ্যে আনার কাজ করবে। রাজ্যসভার নির্বাচনে মুকুলবাবু কোন পক্ষকে ভোট দিচ্ছে, সেটাই দেখবে বিজেপি। আর সেই ভোটাভুটিতে মুকুল রায় যদি হুইপ অমান্য করে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জহর সরকারকে ভোট দেন, তাহলে রায়সাহেবের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রণয়ন করার বড় সুযোগ পেয়ে যাবে বিজেপি।

আগামী ৯ আগস্ট রাজ্যসভার নির্বাচনের দিন হুইপ জারি করবে বিজেপি। আর সেই হুইপ মতো দলের বিধায়করা যদি দলীয় নির্দেশ অমান্য করেন, তাহলে তাঁর বিধায়ক পদ বাতিল করার জন্য রাস্তা খুলে যায়। আর এই কারণেই হার নিশ্চিত জেনেও রাজ্যসভায় প্রার্থী দিতে পারে বিজেপি। এরপর ভোটাভুটির দিন মুকুল রায় যদি হুইপ অমান্য করে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীকে ভোট দেন, তাহলেই বিজেপির কেল্লাফতে। যদিও, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ রাজ্যসভায় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে এখনও তেমন কোনও ইঙ্গিত দেয়নি।