Press "Enter" to skip to content

রাম মন্দিরে সোনার গর্ভগৃহ বানানোর জন্য দুই কোটি টাকা দান করল মহাবীর মন্দির ট্রাস্ট

অযোধ্যায় () ের () জন্য ট্রাস্ট গঠনের পরেই ের () সচিব () ২ কোটি টাকার চেক নিয়ে অযোধ্যায় পৌঁছান। সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় বলেন, মন্দির নির্মাণের জন্য সময় লাগবে, কিন্তু রামলালা মন্দিরে স্থাপন করার জন্য সেখানে সবার আগে মন্দিরের গর্ভগৃহ নির্মাণ করতে হবে। কুণাল এও বলেন, যদি এর জন্য অনুমতি পাওয়া যায়, তাহলে মহাবীর ট্রাস্ট এক টাকাও চাঁদা না নিয়ে গর্ভগৃহ বানিয়ে দেবে।

কুণাল বলেন, আমি দুই কোটি টাকার চেক নিয়ে পাটনা থেকে এসেহি। আমরা মোট ১০ কোটি টাকা দেব। মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হলেই, আমরা ফান্ড দিতে থাকব। আমরা বলেছিলাম যে, ট্রাস্টের ঘোষণার সাথে সাথে যখন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলবে তখন আমরা দুই কোটি টাকা দেব।

উনি বলেন, যদি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মডেলে মন্দির বানানো হয়, তাহলে সময় কম লাগবে। আমরা নির্মাণ অনুযায়ী টাকা দিয়ে দেব। উনি বলেন, গগনচুম্বী মন্দির বানাতে গেলে সময় বেশি লাগবে, আমরা প্রতি বছর টাকা দেব। আমরা ২০১৬ সালেই রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ১০ কোটি টাকা আলাদা করে রেখেছিলাম।

কুণাল বলেন, আমাদের এখানে রাম রসোই চালানো হয়। এখানে রোজ দেড় থেকে দুই হাজার মানুষকে খাওয়ার খাওয়ানো হয়। কিশোর কুণাল বলেন, ত্রেতা জুগে ভগবান রাম ১৪ বছর পর্যন্ত বনবাসে ছিলেন। কিন্তু কলিযুগে ভগবান দীর্ঘদিন তাবুতে কাটিয়েছেন।