Press "Enter" to skip to content

রোগীর মৃত্যুতে হাসপাতালের চিকিৎসককে বেধড়ক মার কামরুদ্দিন গ্যাংয়ের! কড়া পদক্ষেপ নিলেন হিমন্ত

গুয়াহাটিঃ করোনাকালে দিন রাত এক করে রোগী সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন চিকিৎসকরা ()। পরিবার পরিজন থেকে দূরে থেকে, এমনকি কাছের মানুষের শেষকৃত্য সেরে আবারও লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়ছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে অসম (assam) থেকে এক চিকিৎসককে বেধড়ক মারধরের (viral video) ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়, যা দেখে নিন্দায় সরব হয়েছে চিকিৎসক মহল।

ঘটনাটি ঘটেছে উদালি মডেল হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিয়ুজ কুমার সেনাপতির সঙ্গে। করোনা রোগীর মৃত্যুতে রোগীর পরিবারের লোকজন লাঠি, ঝাঁটা, স্টিলের বাসনপত্র যে যা পেরেছে তাই দিয়েই মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে চিকিৎসককে। সেই দৃশ্যের ভিডিও স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার হতেই, নিন্দায় সরব হয় চিকিৎসকরা। এমনকি ঘটনার তদন্তেরও নির্দেশ দিয়েছেন হেমন্ত বিশ্বশর্মা।

https://platform.twitter.com/widgets.js

সূত্রের খবর, করোনা আক্রান্ত হয়ে পিপাল পুখুরি গ্রামের বাসিন্দা গিয়াজউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি মঙ্গলবার উদালি মডেল হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানেই দুপুর দেড়টা নাগাদ চিকিৎসক সিয়ুজ কুমার সেনাপতি কাজে যোগ দিয়ে, দুপুর ২ টো নাগাদ রোগীর পরিবারকে গিয়াজউদ্দিনের শারীরিক অবস্থার অবন্নতির কথা জানান। এরপর চিকিৎসক যখন আবার রোগীর কাছে যান, তখন গিয়ে দেখেন গিয়াজউদ্দিন মারা গিয়েছে। অক্সিজেনের অভাবেই তাঁর মৃত্যু ঘটেছে বলে জানায় চিকিৎসক।

কিন্তু এই খবর রোগীর পরিবারকে দিলে, তাঁরা তা মানতে নারাজ হয়। হাসপাতালেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকে রোগীর পরিবারের ১২-১৫ জন। বেগতিক দেখে চিকিৎসক সিয়ুজ কুমার সেনাপতিকে একটি ঘরে তালাবন্দি করে রাখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোগীর পরিজনরা তালা ভেঙে সেই ঘর থেকে চিকিৎসককে বের করে এনে লাঠি, ঝাঁটা, স্টিলের বাসনপত্র যে যা পেরেছে তাই দিয়েই মাটিতে ফেলে বেশকিছুক্ষণ বেধড়ক মারধর করে সেখান থেকে চলে যায়। আহত চিকিৎসককে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত কামরুদ্দিন সহ ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।