Press "Enter" to skip to content

‘লাদেনকে শহীদ বলো তোমরা” রাষ্ট্রসংঘের মহাসভায় ভারতের বয়ানে মুখ বন্ধ পাকিস্তানের

[ad_1]

নয়া দিল্লিঃ আমেরিকার তিন দিনের সফরের শেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাষ্ট্রসংঘের মহাসভায় (UNGA) নিজের বক্তব্য পেশ করবেন। আর তাঁর আগেই ভারত কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের করা মন্তব্যের মোক্ষম জবাব দেয়। ভারত শনিবার পরিস্কার বলে দেয় যে, জম্মু কাশ্মীর আর লাদাখ ভারতের অংশ ছিল, আছে আর থাকবে। পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে ফের পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের সমর্থক বলে উল্লেখ করে ভারত।

ভারত বলে, সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়া, সাহায্য করা আর সমর্থন করা পাকিস্তানের ইতিহাস আর তাঁদের নীতি। ভারত রাষ্ট্রসংঘের মহাসভায় জোর দিয়ে বলে, পাকিস্তানের অবৈধ কবজা করা এলাকাগুলিও ভারতের।

UNGA-য় প্রথম ভারতীয় মহিলা সচিব স্নেহা দুবে বলেন, ‘ আজও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে সন্ত্রাসবাদী ঘটনাগুলিকে সমর্থন করতে শোনা যায়। আধুনিক বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের এমন সমর্থন স্বীকার্য নয়।” স্নেহা দুবে বলেন, ‘পাকিস্তান আগুন লাগানোদের মধ্যে পড়ে। কিন্তু নিজেদের আবার আগুন নেভানোর কাজ করা দেশ বলে দাবি করে।” উনি বলেন, পাকিস্তানই এমন একটি দেশ, যারা গোটা বিশ্বের সামনে সন্ত্রাসবাদীদের হাতিয়ার, প্রশিক্ষণ দেওয়া আর আর্থিক সাহায্য করা দেশের তালিকায় নাম উঠিয়েছে।

https://platform.twitter.com/widgets.js

মহাসভায় পাকিস্তানের প্রধান ইমরান খানের একটি রেকর্ডেড ম্যাসেজ চালান। সেখানে ইমরান খানের দেওয়া ভাষণে ১৩ বার কাশ্মীরের কথা উল্লেখ রয়েছে আর হুরিয়ত নেতা সৈয়দ আলী শাহ গিলানির শেষকৃত্য নিয়ে মিথ্যে প্রচার করতে শোনা গিয়েছে। রেকর্ডেড ম্যাসেজে ইমরান খান ভারতের সঙ্গে শান্তির কথা বলছেন। কিন্তু উনি এও বলেন যে, দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি জম্মু কাশ্মীরের সমস্যা সমাধানের উপরই নির্ভর করবে।

ভারত বলে, ওসামা বিন লাদেনকে পাকিস্তান শরণ দিয়েছিল। আজও পাকিস্তান লাদেনকে শহীদ বলে আসে। শুধু তাঁদের প্রতিবেশী দেশগুলিকে ক্ষতি করার আশায় পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদীদের শরণ দিয়ে আসছে। গোটা বিশ্বেই সন্ত্রাসবাদের সমর্থক হিসেবে কুখ্যাতি পেয়েছে পাকিস্তান।

[ad_2]