Press "Enter" to skip to content

লোকসভার আগে শরিকদের মধ্যেই চুলোচুলি, বাম ছেড়ে এমাসেই কংগ্রেসে যেতে পারে কানহাইয়া

নয়া দিল্লিঃ ের প্রাক্তন সভাপতি তথা সিপিআই নেতা কানহাইয়া কুমার ও গুজরাটের নির্দলীয় বিধায়ক জিগনেশ মেওয়ানি ২৮ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন। সম্প্রতি কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কানহাইয়া কুমারের সাক্ষাতের পর বাম নেতার কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জল্পনা ছড়িয়েছিল।

সূত্র অনুযায়ী, কংগ্রেসের কাছে কানহাইয়া কুমারের জন্য বিশেষ প্ল্যান রয়েছে। আর সেই পরিকল্পনাতেই কানহাইয়া কুমার নিজের রাজনৈতিক জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন। অন্যদিকে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কানহাইয়া শুধুমাত্র ের রাজনীতিতেই সীমিত থাকতে চান না। তিনি রাষ্ট্রীয় স্তরে রাজনীতি করে নিজের ছাপ ফেলার চেষ্টায় রয়েছেন। শোনা যাচ্ছে যে, রাহুল গান্ধীর আগে কানহাইয়া কুমার ও জিগনেশ মেওয়ানি কুশলী ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছিলেন।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রশান্ত কিশোর রাহুল গান্ধীকে পরামর্শ দিয়ে বলেছেন যে, দলের পুরনো নেতাদের প্রভাব আর গুরুত্ব এখন কমেছে আর এই কারণে যুব দের সুযোগ দিতে হবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কংগ্রেস ছেড়ে বহু যুব নেতা বিজেপিতে গিয়ে নাম লিখিয়েছেন। সেই কারণেই কংগ্রেসে এখন যুব নেতারও অভাব। তাই কানহাইয়া আর জিগনেশকে দলে টেনে সেই অভাব পূরণে মরিয়া রাহুল গান্ধীরা।

উল্লেখ্য, বিগত দেড় বছর ধরে রাজনীতিতে কানহাইয়া কুমারকে তেমন ভাবে দেখা যায়নি। তবে একুশের নির্বাচনের সময় কানহাইয়া কুমার বাংলায় এসেছিলেন বামেদের হয়ে প্রচারে। কিন্তু তাও হাতে গোনা দু’একটা পথসভা করেছিলেন মাত্র। প্রশান্ত কিশোরের মতে, কানহাইয়া কুমারের ভাষণ দেওয়ার আন্দাজ অনেককেই প্রভাবিত করবে।

অন্যদিকে, ২০২৪-র ভোটে কংগ্রেস, তৃণমূল বাম এবং বাকিরা যখন এক হয়ে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে নিজেদের দল মজবুত করছে। আর এখন কংগ্রেস বামেদের ভাঙিয়ে নিজেদের দল মজবুত করার জন্য কানহাইয়াকে দলে নিতে চাইছে। চারিদিকে ভবিষ্যতের জোট শরিকরা একে অপরকে যেমন ভাবে ভাঙছে, সেটা দেখে নিয়ে ্তাও জাহির করেছে বিশেষজ্ঞরা।