Press "Enter" to skip to content

শত্রুদের কালঘাম ছোটাবে ভারতের সবথেকে বিপজ্জনক মিসাইল, সফল পরীক্ষণ করল DRDO

[ad_1]

চাঁদিপুরঃ ভারত বৃহস্পতিবার ওড়িশার উপকূলে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মসের (Brahmos) একটি নতুন সংস্করণের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। এই সফল পরীক্ষণ ভারতের সামরিক শক্তি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO) অনুযায়ী, আরও ভাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সহ অন্যান্য নতুন প্রযুক্তিতে সজ্জিত ক্ষেপণাস্ত্রটি বৃহস্পতিবার সকাল ১০:৪৫ মিনিটে চাঁদিপুরের ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জের লঞ্চ প্যাড-৩ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।

এই ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অধীনে ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগ। ডিআরডিও এটির উন্নয়ন করছে। ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রধান অস্ত্র ব্যবস্থা এবং সমস্ত বড় যুদ্ধজাহাজে এই ক্ষেপণাস্ত্রটিকে যুক্ত করা হচ্ছে। এর আগে ভারত ১১ জানুয়ারি ভারতীয় নৌবাহিনীর গোপনে নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী আইএনএস বিশাখাপত্তনম থেকে আধুনিক সুপারসনিক ব্রহ্মস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি নতুন সংস্করণের সফলভাবে পরীক্ষা করে।

ডিআরডিও জানিয়েছে যে, ক্ষেপণাস্ত্রটি নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। ২৯০ কিলোমিটারের আসল রেঞ্জের তুলনায় ক্ষেপণাস্ত্রটির ৩৫০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের বৃহত্তর স্ট্রাইক রেঞ্জ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইন্দো-রাশিয়ান যৌথ উদ্যোগ ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল তৈরি করে যা সাবমেরিন, জাহাজ, বিমান বা স্থল-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম থেকে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে। ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ম্যাক ২.৮ বা শব্দের প্রায় তিনগুণ গতিতে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে।

অন্যদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছিলেন যে, ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ ভারতীয় নৌবাহিনীর মিশনের প্রস্তুতির দৃঢ়তা দেখিয়েছে। তিনি টুইট করে ভারতীয় নৌবাহিনী এবং ডিআরডিওকে এই কৃতিত্বের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।

[ad_2]