Press "Enter" to skip to content

শুভেন্দু অধিকারীকে এমার্জেন্সি দিল্লীতে ডেকে পাঠাল শীর্ষ নেতারা, তুঙ্গে জল্পনা


কলকাতাঃ কিছুদিন আগে দিল্লি গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে বৈঠক করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি সহ একাধিক বিষয় উঠে এসেছিল আলোচনায়। জল্পনায় এও ছিল যে, সম্ভবত শাসনের জন্যও দরবার করেছিলেন তিনি।

ভোট-পরবর্তী ক্ষেত্রে অনেক বিজেপি কর্মী এখনো ঘরছাড়া। বিজেপির মতে, ঘরে ফিরতে গেলে তাদের কোথাও মোটা জরিমানা দিতে হচ্ছে কোথাওবা পড়তে হচ্ছে আক্রমণের মুখে। বৈঠকে সে বিষয়েও আলোচনা করেছিলেন শুভেন্দু। এরপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলার জগদীপ ধনকরও। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একই অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এবার ফের একবার শুভেন্দু অধিকারীকে জরুরি তলব করল দিল্লি। আজই দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

প্রথম বৈঠকের তুলনায় এখন পর্যন্ত অনেকটাই রাজনৈতিক ঘটে গিয়েছে বাংলায়। বিশেষত ফের একবার ফুল বদল করেছেন বিজেপির মহা স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত মুকুল রায়। আর তার যাওয়ার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে বড়ো ট্রেন্ড এখন “কার কার ফোন বাজল”। অর্থাৎ কোন কোন গোপনে যোগাযোগ সারছেন মুকুল রায়ের সঙ্গে। ইতিমধ্যে ভাঙতে শুরু করেছে বিজেপি। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে একাধিক নেতার। তাই এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে বিশ্লেষক মহল।

মমতা বন্দোপাধ্যায়কে হারিয়ে নন্দীগ্ে জয়ের হাসি হেসেছিলেন শুভেন্দু। আর তারপর থেকেই বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন তিনি। কিন্তু এখন যখন একদিকে দলের ভাঙন রক্ষায় কঠিন কাজ হয়ে পড়েছে গেরুয়া শিবিরের পক্ষে শুভেন্দুকে এভাবে তলব বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ইতিমধ্যেই, একাধিক বিষয় নিয়ে বাংলা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। ঠিক হয়েছে আগামী দিনের কর্মসূচিও। দিল্লি বৈঠকের পরে, এই কর্মসূচিতে নতুন কোনো পরিবর্তন আসেনি আসে কিনা সে দিকেই এখন তাকিয়ে থাকবে সকলে।