Press "Enter" to skip to content

শুভেন্দু অধিকারীর ডেডবডি নন্দীগ্রামে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি তৃণমূল বিধায়কের



চোপড়াঃ নন্দীগ্রামে ভোট হয়ে গিয়েছে ১ এপ্রিল, তবুও তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মনে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে ক্ষোভ এক ফোঁটাও কমেনি। আর সেটাই বোঝা গেল আজ উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার বিধায়ক তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর মুখে। আজ চোপড়ার তৃণমূল প্রার্থী তথা বিধায়ক হামিদুল রহমান বলেন, ‘শুভেন্দু বেইমান, ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে গদ্দারি করেছে। ও হেলিকপ্টারে না এসে যদি বাই রোডে আসত, তাহলে চোপড়ার মানুষ ওঁর ডেডবডি নন্দীগ্রামে পাঠিয়ে দিত।”

তৃণমূল প্রার্থীর এই বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। হামিদুল রহমানের এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়ে বিজেপির নেতা সুরজিৎ মণ্ডল বলেছেন, ‘চোপড়ার মানুষ সবথেকে বড় গদ্দার আর মীরজাফর হিসেবে হামিদুল রহমানকেই চেনে।”

এদিন বিকেলে চোপড়ার দাসপাড়ার মাঠে বিজেপির তরফ থেকে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। ওই সভার প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রায়গঞ্জের বিধায়ক দেবশ্রী চৌধুরী এবং বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী হেলিকপ্টার করে এই সভায় গিয়ে যোগ দেন। শুভেন্দু অধিকারীর হেলিকপ্টার অবতরণ করার পর কালো পতাকা দেখিয়ে আর শুভেন্দু গো ব্যাক স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের নেতা কর্মীরা।

এই প্রসঙ্গে উত্তর দিনাজপুর জেলার বিজেপির সভাপতি সুরজিৎ মণ্ডল বলেন, ‘তৃণমূলের পোষা গুণ্ডারা আজ শুভেন্দু অধিকারীকে দেখে কালো পতাকা দেখিয়েছে আর গো ব্যাক স্লোগান দিয়েছে।” আরেকদিকে, তৃণমূলের বিধায়ক হামিদুল রহমান বলেন, চোপড়ার মা-বোনেরা শুভেন্দু অধিকারীকে দেখে ঝাঁটা নিয়ে তাড়া করত, কিন্তু ওঁর কপাল ভালো যে কেন্দ্রীয় বাহিনী ওকে ঘিরে রেখে হেলিকপ্টার মাঠ থেকে সভাস্থল আর সভা থেকে হেলিকপ্টারে তুলে দিয়েছে।”

হামিদুল রহমান বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারী বেইমান, ও দিদির সঙ্গে বেইমানি করেছে। ও আজকে হেলিকপ্টার করে না এসে যদি বাই রোডে আসত তাহলে জনতা ওঁর ডেডবডি নন্দীগ্রামে পাঠিয়ে দিত। চোপড়ার মহিলারা লাঠি-ঝাঁটা নিয়ে তৈরিই ছিল। যদিও এটাই প্রথম না যে উনি এমন বিতর্কিত মন্তব্য করলেন। এর আগে উনি এলাকার ভোটারদের হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, তৃণমূল ভোট না দিলে সবাইকে ভোটের পর দেখে নেওয়া হবে।