Press "Enter" to skip to content

শুরুতেই ছন্দপতন! তৃণমূলকে ছাড়াই দিল্লীতে হয়ে গেল বিরোধী দলের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং

নয়া দিল্লীঃ বিজেপির বিরুদ্ধে সমস্ত বিরোধী দলগুলিকে এক করার সংকল্প নিয়েছে তৃণমূল। ২০২৪-র নির্বাচনে হারিয়ে বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী করার তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের। ইতিমধ্যে ব্যানার্জী দিল্লীতে গিয়েছেন, সেখানে সমস্ত বিরোধী দলের নেতা/নেত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আগের রণনীতি স্থির করা প্রধান লক্ষ্য তাঁর।

কিন্তু এরই মাঝে ছন্দপতন। বাদল অধিবেশনে বিজেপি বিরোধী সুর চরাতে দিল্লীতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলি। ের সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের নেতৃত্বে সেই বৈঠক বসেছে। বৈঠকে কংগ্রেস সাংসদ গান্ধীও উপস্থিত রয়েছেন। কিন্তু অবাক করা ভাবে, সেই বৈঠকে গরহাজির তৃণমূলের প্রতিনিধি। এমনও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তৃণমূলের অনুপস্থিতি ঘিরে জল্পনা বাড়ছে।

যদিও, সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন জানিয়েছেন যে, সমস্ত বিরোধী দল একসঙ্গেই রয়েছে। বৈঠক শেষ করে রাহুল গান্ধী সাংবাদিকদের জানান, মুদ্রাস্ফীতি, পেগাসাস ইস্যু, পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, সমস্যা সহ বিভিন্ন ইস্যুতে আমরা সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছি। কোনও ইস্যুকে আমরা ছোট করে দেখতে রাজি নই।

রাহুল গান্ধী আরও বলেন, গোটা দেশ জানে যে গণতন্ত্রের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। সরকার নেতা, সাংবাদিক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের উপরেও নজরদারি চালাচ্ছে। সরকারকে এসব নিয়ে উত্তর দিতে হবে। সরকার সংসদে পেগাসাস নিয়ে কোনও কথা বলতে রাজি নয়। সরকার সংসদে বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করছে।