Press "Enter" to skip to content

শেষপর্যন্ত কট্টরপন্থীদের মুখে ঝামা ঘষে ‘মুঘল সরাই’ নাম মুছে দেশের স্বঅভিমান পুনঃস্থাপন করলেন যোগী আদিত্যানাথ।

শেষপর্যন্ত মুখলসরাই স্টেশন এর নাম বদলে পন্ডিত দীন দয়াল উপাধ্যায় জংশন রাখা হয়েছে। যদিও সিধান্ত অনেক আগেই নেওয়া হয়েছিল কিন্তু এখন সেই দিন এলো যখন আতঙ্কি কা নিশানি মুঘল সরাই নামকে সম্পূর্ণভাবে মুছে দেওয়া হলো। এবার থেকে স্টেশন এর নাম মহান স্বতন্ত্র সেনানী পন্ডিত দীন দয়াল উপাধ্যায় এর নামে ডাকা হবে। এটা কোনো ছোট খাটো ব্যাপার নয়। অনেকের ধারণা একটা স্টেশনের এক নাম পরিবর্তন করে অন্য নাম রাখা হয়েছে কিন্তু আসলে এই বিষয়টি শুধু নাম পরিবর্তন পর্যন্ত একটা সাধারণ বিষয় নয়। এটা আতঙ্ক এর চিহ্নকে মুছে ফেলে নিজস্বতার পতাকা উড়ানোর বিষয়। এই সিদ্ধান্ত যখন নেওয়া হয়েছিল তখন সমগ্র তথাকথিত সেকুলার সমাজ বিরোধ করেছিল কারণ তারা আতঙ্কের চিহ্নকে নিজেদের ঐতিহ্য মনে করে। মুখল সরাই একটা বড় স্টেশন যার নাম আমরা শৈশবকাল থেকেই শুনে আসছি।

ছোটবেলা থেকে আমাদের মনে একটা প্রশ্ন সবসময় জাগত , প্রশ্নটা এই যে মুঘলরা ভারতে আক্রমণ করেছিল, ভারতকে লুটেপুটে খেয়ে, ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষের ধর্ম পরিবর্তন করেছিল তাদের নামে কেন স্টেশনের নাম রাখা হবে। বিষয়টি এইরকম , যে ব্যাক্তি আপনারা বাড়িতে আক্রমণ করে আপনার পূর্বপুরুষদের উপর অত্যাচার করেছে তাদেরকেই মহান বানিয়ে তাদের নাম স্মরণ করে রাখা। আসলে পুরোটাই সাভিমানের ব্যাপার। যাদের মধ্যে স্বঅভিমান রয়েছে তারা কখনোই এই মুখল সরাই নামটা মেনে নিতে পারতেন না।

অন্যদিকে যারা এই মুঘল সরাই নাম রাখতে চাইতেন সেই তথাকথিত সেকুলাররা যাদের মধ্যে না আছে নিজস্বতা, না আছে স্বঅভিমান , না রয়েছে রাষ্ট্রপ্রেম। এই তথাকথিত সেকুলারপন্থীরা তো টাকার জন্য ধর্ম পরিবর্তন করতেও পিছুপা হয় না। মুঘল সরাই নামক আতঙ্কি নাম মুছে ফেলার শ্রেয় পরম পূজনীয় যোগী আদিত্যানাথের যিনি দেশের সবথেকে বড় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। যোগীজির একটা বড় বিশেষত্ব এই যে উনি নিজের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বার বার আতঙ্কি চিন্হ মুছে ফেলতে পারেন। এর আগে যখন তিনি গোরক্ষপুরের সাংসদ ছিলেন সেখানেও তিনি আতঙ্কি চিন্হ মুছে ফেলছিলেন। আর এখন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে তিনি সমগ্র উত্তরপ্রদেশ জুড়ে এই কাজ করছেন।

আজ মুঘল সরাইকে উনি মিটিয়ে দিলেন এবার কিছুদিনের মধ্যে এলহাবাদের নাম পরিবর্তন করে ‘প্রয়াগরাজ’ করা হবে, আর লখনও এর নাম পরিবর্তন করে লক্ষ্মণপুরী রাখা হবে। ধন্য সেই মাতা যিনি যোগীজির মতো সুপুত্রের জন্ম দিয়েছেন। আজ দেশে এমন নেতা এসেছেন যিনি দেশের স্বঅভিমান, সমাজের স্বঅভিমান এর খেয়াল রেখে তা পুনরায় স্থাপিত করছেন। আজ যোগী আদিত্যানাথের যত প্রশংসা করা হোক না কেন তা কম হবে কারণ আজ তিনি কট্টরপন্থী ও তথাকথিত সেকুলারদের মুখে ঝামা ঘষে দেশের নিজস্বতার পূর্নস্থাপন করলেন।