Press "Enter" to skip to content

সরকারি কর্মসূচীতে গিয়ে গ্রামবাসীর রোষের মুখে পড়ে এলাকা ছেড়ে পালালেন তৃণমূলের উপপ্রধান


আসানসোলঃ সরকারি কর্মসূচীতে গিয়ে জনরোষের শিকার (All India Trinamool Congress) উপপ্রধান। গ্রামবাসীদের প্রশ্নের মুখে পড়ে অবশেষে সেখান থেকে পালাতে বাধ্য হন তিনি। উপপ্রধানকে হাতের সামনে পেয়ে সমস্ত ক্ষোভ উগড়ে দেন এলাকাবাসী। জামুড়িয়ার চুরুলিয়া গ্রামের এই ঘটনার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ( ) হচ্ছে। গ্রামবাসীরা যখন তৃণমূলের উপপ্রধানকে প্রশ্ন করেন যে, চাকরি না করে কি করে ৪০ লক্ষ টাকার বাড়ি বানালেন তিনি, তখন উপপ্রধান প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে সেখান থেকে পালাতে বাধ্য হয়।

যদিও, তৃণমূলের উপপ্রধান এই ঘটনার জন্য বিজেপিকেই দায়ি করেছেন। তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন যে, বিজেপির লোকজন এই ঘটনা ঘটিয়েছে। জানিয়ে দিই, জামুড়িয়ার চুরুলিয়া গ্রামে ভোটার লিস্ট সংশোধনের কাজে গিয়েছিলেন তৃণমূলের উপপ্রধান। সেখানে ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা উপপ্রধান প্রদিন মুখোপাধ্যায়ের উপর চড়াও হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন যে, গ্রামে কোনও উন্নয়নের কাজ হয়নি, কিন্তু উপপ্রধান ৪০ লক্ষ টাকা দিয়ে বাড়ি তৈরি করেছেন। গ্রামবাসীরা প্রশ্ন করেন যে, উপপ্রধান এতটাকা পেলেন কোথা থেকে? এরপরই স্থানীয়রা উপপ্রধানকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। এমনকি জনতা মারমুখী পর্যন্ত হয়ে ওঠে। বেগতিক দেখে উপপ্রধান হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে সেখান থেকে পালাতে বাধ্য হয়।

উপপ্রধান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, দিন দুয়েক আগে নির্মল বাংলা অভিযানে চুরুলিয়া গ্রামে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে শৌচাগার তৈরি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। আর সেই সময়ে এক স্থানীয় বাসিন্দা ওনাকে নিশানা করে অবান্তর কথা বলা শুরু করেন। এমনকি ওনাকে গালিগালাজ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

উপপ্রধান অভিযোগ করে বলেন যে, স্বপন রুইদাস নামের ওই বাসিন্দা সাম্প্রদায়িক অশান্তি পাকাতে উস্কানিমূলক মন্তব্যও করে। তিনি জানান, স্বপন রুইদাসের ভিত্তিহীন কথাবার্তা আরও যাতে না বাড়ে সেই কারণে আমি সেখান থেকে চলে আসি। উপপ্রধান জানান, স্বপন রুইদাস নামের ওই ব্যক্তি আগে সিপিএম করত এখন সে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে। থেকে পরিকল্পনা মাফিক এই কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।