Press "Enter" to skip to content

সরকার ভাঙার কয়েকদিনের মধ্যেই কিভাবে জম্মু-কাশ্মীরের হাওয়া বদলে গেছে জানলে আপনিও অবাক হবেন।

জম্মুের পরিবেশ শান্ত করতে এবং আতঙ্ক বাদীদের সাফাই করতে অমিত সাহের নেতৃত্বে পিডিপি এর উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেছিল। ভাঙার পরেই জম্মুকাশ্মীরে রাজ্যপাল শাসন জারি করে এবং শুরু হয় জঙ্গি সাফাই অভিযান। আপনাদের জানিয়ে , জম্মুকাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসবাদ শেষ করতে মোদী সরকার, সেনা, গুপ্তচর, পুলিশ, CRPF ও ো সহ সমস্ত শক্তি নিয়োগ করেছে।

যার ফলে সরকার ভাঙার কিছুদিনের মধ্যেই কাশ্মীরে এমন অবস্থা দেখা দিতে শুরু করেছে যা বহু বছরে দেখা যায়নি। রাজ্যপাল শাসন শুরু হতেই কাশ্মীরে হওয়া পাল্টে গেছে। কাল পর্যন্ত যেসব গ্রামে সেনা দেখলেই ি শুরু হতো আজ সেই গ্রাম গুলিতে ভালোবাসার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। অবাক করার বিষয় যে কাশ্মীর ঘাঁটিতে রাস্তায় রাস্তায় পাথর ছোঁড়ার দৃশ্য দেখা যেত আজ সেই কাশ্মীরে হয়তো পাথর শেষ হয়ে গেছে নতুবা পাথরবাজরা উদাও হয়ে গেছে এমনটাই মনে হচ্ছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি মেহবুবা মুফতির সরকার থাকাকালীন সেনার হাত খুলে দিলেও মেহবুবা পাথরবাজদের সমর্থন করতো এবং বিনা কারণে সেনার উপর মামলা দিত। সরকার ভাঙার পরেই পাথরবাজরা মেহবুবার সমর্থন হারায় ।

এখন সেনার জোয়ানরা ঘাঁটি পৌঁছালেই গ্রামের মানুষজন সেনার সাথে গলা মিলাতে শুরু করেছে। বর্তমানে জঙ্গি অপা চালানোর জন্য সেনাকে কোনো বাধা অতিক্রম করতে হচ্ছে না উল্টে সেনাকে ভোজন করে যাওয়ার জন্য নিমন্ত্রণ জানাতে শুরু করেছে কাশ্মীরবাসী। কারণ প্রত্যেকেই জানে এখন সেনার হাত ও পুলিশের হাত খোলা, তাই কোনোরকম বাধা দিলেই বিপদে পড়তে তাদের। বর্তমান পরিস্থিতিতে উপস্থিত নেই জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদীদের রক্ষাকারী মেহবুবা মুফতি।[sg_popup id=”1″ event=”onload”][/sg_popup]

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.