Press "Enter" to skip to content

‘সহশিক্ষা সমস্ত খারাপ কাজের মূল” ছেলে-মেয়েদের একসঙ্গে না পড়ানোর ফতোয়া তালিবানের


নয়া দিল্লিঃতালিবানের তরফ থেকে প্রথম জারি হল। রিপোর্ট অনুযায়ী, আফগানিস্তানে হেরাত প্রান্তে তালিবানি আধিকারিকরা আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে আদেশ দিয়েছে যে, -ছাত্রীদের এখন থেকে আর একসঙ্গে পড়তে দেওয়া যাবে না।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, বেসরকারি সংস্থার মালিক আর তালিবানি আধিকারিকদের মধ্যে তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক চলে। সেখানে তালিবানরা জানায় যে, সহ-শিক্ষা জারি রাখার কোনও দরকার নে। এটিকে এখনি সমাপ্ত করা উচিৎ।বলে দিই, আফগানিস্তানে সহ-শিক্ষা আর আলাদা আলাদা শ্রেণি কক্ষের মিক্স সিস্টেম রয়েছে। স্কুলে আলাদা আলাদা পঠনপাঠন হলেও, বেসরকারি, সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সহশিক্ষার নীতি লাগু রয়েছে।

তালিবানের এই ফতোয়ার পর হেরাত প্রান্তের কর্মকর্তারা জানিয়েছে যে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আর সংস্থায় আলাদা আলাদা শ্রেণি কক্ষের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তবে বেসরকারি সংস্থায় ছাত্রীদের সংখ্যা কম থাকার কারণে সেখানে আলাদা পড়াশোনার ব্যবস্থা করা সহজ নয়। আফগানিস্তান িক আমিরাতের উচ্চ শিক্ষা প্রধান মুল্লা ফরিদ, যে নিজে হেরাত বৈঠকে তালিবানদের প্রতিনিধিত্ব করছিল, সে জানায়, সহশিক্ষাকে সমাপ্ত করতে হবে, কারণ এই ব্যবস্থায় সমাজের সমস্ত খারাপ জিনিশের মূল রয়েছে।

উল্লেখ্য, তালিবানের তরফ থেকে এমন একটি যে ফতোয়া জারি হবে, সেটা প্রায় সকলেরই জানা ছিল। কারণ, তালিবান শাসনে মহিলাদের জন্য কড়া আইন লাগু করা হয়েছে। মহিলারা একা বের হতে পারবে না, মেকআপ নিষিদ্ধ, হাই-হিল জুতো ও টাইট পোশাক নিষিদ্ধ। এমনকি মেয়েদের স্কুলে গান-খেলা নিষিদ্ধ। যেহেতু মেয়েদের ক্ষেত্রে এমন আইন জারি করেছে তালিবান। সেহেতু এটা যে হওয়ার ছিল, সেটা আগেই বোঝা গিয়েছিল।