Press "Enter" to skip to content

‘সাহস থাকলে পদ ছেড়ে নির্বাচনে লড়ে দেখান” দলত্যাগী বিধায়ককে চ্যালেঞ্জ সৌমিত্র খাঁয়ের


কলকাতাঃ একসময় ছিলেন তৃণমূলের (All India Trinamool Congress) দাপুটে নেতা তথা বিষ্ণুপুরের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। বিষ্ণুপুর শহরের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতিও ছিলেন তিনি। এরপর একুশের বিধানসভা ের কিছু আগে বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের ১২ ঘণ্টা আগে দিয়েছিলেন তন্ময় ঘোষ (Tanmoy Ghosh)। বিজেপির টিকিটে জয়লাভ করে বিষ্ণুপুর বিধানসভার বিধায়কও হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আচমকাই মোহভঙ্গ। সোমবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ।

রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত ধরে এদিন তৃণমূলে যোগ দেন বিজেপির বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়ে বলেন, ‘ের উন্নয়ন যজ্ঞে শামিল হতেই তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন।” বিজেপির বিধায়ককে দলে টেনে শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, আগামী দিনে আরও কয়েকজন বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে যোগ েন।

তন্ময় ঘোষ বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর মুখ খুলছেন বাঁকুড়া বিষ্ণুপুরের তথা বঙ্গ বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি ঁ (Saumitra Khan)। এদিন তিনি ফেসবুকে লাইভে এসে তন্ময় ঘোষকে বার্তা দেন। সৌমিত্রবাবু লাইভে বলেন, তন্ময় ঘোষের যদি সৎ সাহস থাকে তাহলে তিনি বিজেপির বিধায়ক পদ ছেড়ে দিয়ে ফের নির্বাচনে লড়ার সাহস দেখাবেন।

উল্লেখ্য, সৌমিত্র খাঁয়ের হাত ধরেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তন্ময় ঘোষ। আর এদিন লাইভে এসে বিষ্ণুপুরের সাংসদ সেই নিয়ে আক্ষেপও করেন। তিনি বলেন, হয়ত আমারই ভুল ছিল, আমি রাত ১২টার সময় তাঁকে দলে যোগ দেওয়া করাই। এরপর তাঁকে টিকিটও পাইয়ে দিয়েছি।

সৌমিত্রবাবু বলেন, তন্ময় ঘোষকে কেউ ভোট দেয় নি। বিষ্ণুপুরবাসী ভোট দিয়েছিলেন ীয় জনতা পার্টিকে। আর সেই ভোটে জিতেই উনি বিধায়ক হয়েছেন। এখন ওনার সৎ সাহস থাকলে উনি বিধায়ক পদ থেকে দিয়ে তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করে দেখাক। সৌমিত্রবাবু এও বলেন যে, নিজের ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাঁচাতে তন্ময় ঘোষ তৃণমূলে যোগ দিয়েছে। উনি বিষ্ণুপুরের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।