Press "Enter" to skip to content

সিস্টেমের সঙ্গে লড়াই, মানুষের সমস্যা সমাধানে চার দশক পুরনো ব্রিজ মেরামতিতে তৎপর চন্দনা


বাঁকুড়াঃ  তরফ থেকে বিধানসভার টিকিট পাওয়ার পর থেকেই বারবার উঠে এসেছে চন্দনা বাউরির (Chandana Bauri) নাম। বড়বড় তারকা প্রার্থীদের হারিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা কামিয়েছেন চন্দনা বাউরি। আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সংকল্প নিয়ে ভোটেও জিতেছেন তিনি। এলাকার উন্নয়ন আর গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোই যে তাঁর মূল লক্ষ্য, সেটাও জানিয়েছেন চন্দনা।

বিধায়ক হওয়ার পর বারবার মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জন সাধারণের সমস্যাও শুনেছেন তিনি। বিধায়ক হওয়ার পর এখন তাঁর কাছে সবথেকে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বন্যা। আবিরাম বৃষ্টির কারণে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। ডুবে গিয়েছে বহু বাড়িঘর। অনেক মানুষ ঘরছাড়া। যেমন সেই দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে, তেমনই কেন্দ্র সরকারও দুর্গতদের জন্য আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছে।

অবিরাম বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়েছে বাঁকুড়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। সেখানেও বহু মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। অনেকে উঁচু জায়গায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। আর এরই মধ্যে বন্যার পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষদের দুর্গতির কথা মাথায় রেখে কোমর বেঁধে জলে নামলেন বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরি।

বৃহস্পতিবার বানভাসি বাঁকুড়ার কয়েকটি এলাকার পরিদর্শনে যান তিনি। নিজের কেন্দ্রের সাধারণ মানুষদের সঙ্গে কথা বলে, তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাসও দিয়েছেন চন্দনা। এরপর তিনি মেজিয়া মন্ডলের রামচন্দ্রপুর অঞ্চলে ব্রিজ পরিদর্শনে যান। এই ব্রিজের উপর ১০টি গ্রামের মানুষ প্রত্যক্ষ ভাবে নির্ভরশীল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা এই ব্রিজটির দিকে নজর নেই প্রশাসনের।

চন্দনা বাউরির অভি অনুযায়ী, প্রায় ৩০ থেকে ৪০ বছর আগে বাম আমলে তৈরি এই ব্রিজ দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিডিওকে ব্রিজ মেরামতির জন্য গ্রামবাসীরা বারবার আবেদন করলেও, কাজ হয়নি। ব্রিজটির উপর দশটি গ্রামের মানুষ নির্ভরশীল। তাই এই বন্যা পরিস্থিতিতে তাঁদের আরও বিপদ তৈরি হয়েছে। জরুরি কাজ এমনকি গর্ভবতী মহিলাকে ে নিয়ে যেতেও প্রচুর সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

চন্দনা বাউরি এই ব্রিজ পরিদর্শনে যান, এবং ব্রিজ মেরামতির জন্য তিনি প্রশাসনের কাছে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে আসেন। এখন দেখার বিষয় এটাই যে, রাজনীতিতে হাতেখড়ি দেওয়া চন্দনা দশ গ্রামের মানুষের সমস্যার সমাধানে ঠিক কতটা উদ্যোগী হতে পারেন।