Press "Enter" to skip to content

সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের হিংসা নিয়ে দায়ের হল মামলা, উঠছে ১ লক্ষ মানুষের পলায়নের অভিযোগ


নয়া দিল্লীঃ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছিল। তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসার কারণে অনেকে পালাতে বাধ্য হয়েছে। এবার এই বিষয়ে ে একটি পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। পিটিশনে দাবি করা হয়েছে যে, ে ভোট পরবর্তী হিংসায় মানুষ প্রাণ ভয়ে ভিন রাজ্যে পালাতে বাধ্য হয়েছে। পিটিশনে এও বলা হয়েছে যে, প্রশাসন আর শাসক দলের আশ্রিত গুণ্ডারা এক হয়ে কাজ করেছে, আর এই কারণেই পুলিশ মামলার তদন্ত করছে না।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পিটিশনে বলা হয়েছে যে ভোট পরবর্তী হিংসার কারণে মানুষ পালাতে বাধ্য হয়েছে আর দেশ স্বাধীনের পর এমন ঘটনা প্রথম ঘটেছে। পিটিশনে বলে হয়েছে, রাজ্যের অন্যত্র এবং রাজ্যের বাইরে বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে গিয়ে মাথা গুঁজতে বাধ্য হয়েছে নির্যাতিতরা। পিটিশনে এক লক্ষের বেশি মানুষের পলায়নের দাবি করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে দায়ের পিটিশনে বলা হয়েছে যে, ভোট পরবর্তী হিংসার কারণে বাংলার মানুষদের পলায়ন একটি গম্ভীর মামলা, এটা মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার মামলা। প্রচুর মানুষ করুণ পরিস্থিতিতে থাকার জন্য বাধ্য হয়েছেন, এটা ীয় সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী নাগরিকদের মেলা মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন। প্রবীণ আইনজীবী পিঙ্কি আনন্দ শুক্রবার বিচারক বিনীত শরণ আর বিচারক বিআর গবই-এর বেঞ্চে এই পিটিশনের দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছেন।

পিটিশনে বলা হয়েছে যে, কেন্দ্র সরকারকে সংবিধানের ৩৫৫ ধারা অনুযায়ী, নিজের কর্তব্য পালন করে রাজ্যকে অভ্যন্তরীণ অশান্তি থেকে বাঁচানো উচিৎ। রাজ্যে হিংসা, হত্যা আর ধর্ষণের ঘটনার তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করার দাবি তোলা হয়েছে। এর পাশাপাশি এও দাবি করা হয়েছে যে, পলায়নকারীদের আশ্রয় স্থল। খাবার, ওষুধের যেন দ্রুত বন্দোবস্ত করা হয়।

এছাড়াও, কেন্দ্র সরকারকে পলায়নের কারণ আর সংখ্যার করার জন্য একটি কমিশন গঠন করার নির্দেশ দেওয়ার দাবি করা হয়েছে। পলায়নকারীদের পুনর্বাসন করানোর দাবি করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানি হবে।