Press "Enter" to skip to content

হংকং এর পর এবার চীনকে ঝটকা দিল তাইওয়ান! চীনকে দেখিয়ে দিল লাল চোখ।


এটা নিশ্চিত যে আগামী যে সময় আসতে চলেছে তা এশিয়া কেন্দ্রীক হবে। এখন পুরো বিশ্বের চোখ আমেরিকা ও কিছুটা ইউরোপ কেন্দ্রিক রয়েছে। যা মাত্র ২০ বছরের সম্পূর্নভাবে পরিবর্তন হবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। যার ফলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে মুভমেন্ট বেশ জোরদার হয়ে শুরু হয়েছে। একদিকে চীন এশিয়ায় নিজের প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে তো অন্যদিকে ভারত চীনকে কাউন্টার করার নীতি গ্রহণ করেছে। এখন তাইওয়ান থেকে একটা বড়ো খবর সামনে আসছে। তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি সাই ইং ওয়েন আবারও চীনকে আয়না দেখিয়ে বলেছেন যে তাঁর দেশ আগে থেকেই স্বাধীন ছিল। তিনি বলেছেন যে চীনকে তাইওয়ানের প্রতি তার কড়া পদক্ষেপ নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা উচিত। রাষ্ট্রপতি ওয়েন বলেছেন যে বেজিংয়ের যে কোনও আক্রমণ খুব খারাপ পতিক্রিয়া তৈরি করবে। ওয়েন এমন এক সময় এই কথাটি বলেছেন যখন চীন স্ব-শাসিত দ্বীপটিকে তার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসাবে দাবি করছে। এমন পরিস্থিতিতে ওয়েনের এই বক্তব্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে চীনের বিদেশ মন্ত্রী ওয়াং ই তাইওয়ানের স্বাধীনতা সম্পর্কে বলেছিলেন যে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা দশ হাজার বছর ধরে দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকবে, কিন্তু এদের দ্বারা কোনো প্রভাব পড়বে না। তাইওয়ানের সাম্প্রতিক নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন জনগণের দ্বারা বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে পুনঃরায় ক্ষমতায় এসেছেন। চীন তাদের পরাজিত করার প্রতিটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। জয়ের পরে সাঁই উচ্চারণ করেছিলেন যে তাইওয়ান চীনের হুমকির সামনে মাথা নত করবে না।

চীন তার মিথ্যা বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে আসুক। আফ্রিকা সফরে ওয়াং বলেছিলেন, ওয়ান চীনা নীতিটি বিশ্ব গ্রহণ করে অনেক দিন কেটে গেছে। এই নীতি অনুসারে তাইওয়ান চীনের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তাইওয়ান সরকার তার প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে যে এটি একটি স্বাধীন জাতি এবং এর সরকারী নাম রিপাবলিক অফ চায়না। তিনি কখনও পিপুলস রিপাব্লিক অফ চায়না অংশ ছিল না। বেইজিংয়ের তাইওয়ান নির্বাচনের ফলাফলকে সম্মান করা এবং তাইওয়ানকে একটি ভাল প্রতিবেশী হিসাবে দেখা উচিত। চীন তার মিথ্যা বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে আসুক।

সাই একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে আমাদের নিজেদেরকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করার দরকার নেই।তিনি বলেছিলেন যে আমরা ইতিমধ্যে একটি স্বাধীন দেশ এবং আমরা নিজেদেরকে চীন প্রজাতন্ত্রের তাইওয়ান বলে থাকি। আধুনিক তাইওয়ান গত ৭০ বছর ধরে আলাদাভাবে চলছে। তবে ১৯৮০ এর দশক থেকে এটি এশিয়ার অন্যতম প্রগতিশীল গণতন্ত্রে রূপান্তরিত হয়েছে। তিনি বলেছিলেন যে আমাদের আলাদা পরিচয় রয়েছে এবং আমরা আমাদের নিজস্ব একটি দেশ। সাই বলেছেন যে আমরা চীন থেকে সম্মানের প্রাপ্য। চীন ক্ষোভের সাথে সাঁইয়ের পুনরায় নির্বাচনের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে, দ্বীপটিকে স্বাধীনতার নিকটে আনার যে কোনও পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে।