Press "Enter" to skip to content

হামাসকে হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর, বললেন- এবার চমকালে সর্বশক্তি দিয়ে গুঁড়িয়ে দেব


নয়া দিল্লীঃ ইজরায়েল যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর গাজার রাস্তায় মানুষের ঢল নামে, তাঁরা আনন্দ উৎসব করে। তাঁরা বলে, যুদ্ধে আমাদের ক্ষতি হয়েছে অনেক কিন্তু এটা ইসলামিক উগ্রবাদী সংগঠন হামাসের জয়। আরেকদিকে, ইজরায়েল কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যদি এবার শত্রুতাপূর্ণ কোনও কাজ করা হয়, তাহলে আবারও আমরা হাতিয়ার তুলে নিতে পিছপা হব না। ১১ দিন চলা এই সংঘর্ষে ২০০-র বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আর বেশি সংখ্যকই প্যালেস্তাইনের িন্দা।

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু শুক্রবার কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এরপর গাজার তরফ থেকে কোনও হামলা হলে আমরা সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ব। তিনি বলেন, ‘হামাস যদি এটা ভেবে থাকে যে আমরা ওদের রকেট হামলায় চুপ করে বসে থাকব, তাহলে ওঁরা ভুল ভাবছে। যদি ওঁরা আবারও হামলা করে, এবার পরিণাম আরও খারাপ হবে।” আরেকদিকে, ইজরায়েলের মানুষের সমালোচনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে নেতানিয়াহু কে। তাঁদের দাবি, নেতানিয়াহু এখনই যুদ্ধবিরাম ঘোষণা করে ভুল করে ফেলেছেন।

নেতানিয়াহু বলেন, আমাদের হামাসের কোমর ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে। হামাসের হামলায় আমাদের অনেক কম ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা ওদের ২০০-র বেশি জঙ্গি মেরেছি, যার মধ্যে ৩০ জন টপ কম্যান্ডার ছিল। তিনি বলেন, জঙ্গিদের ১০০ কিমির বেশি সুড়ঙ্গ ধ্বংস করে দিয়েছি। আরেকদিকে, যুদ্ধবিরাম ঘোষণা হওয়ার পরেও আল-আকসা চত্বরে জুম্মার সেরে ইজরায়েলি পুলিশের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে ফিলিস্তিনিরা। তবে এই বিবাদ কি কারণে হয়েছে সেটা জানা যায়নি।

এই আল-আকসা মসজিদ থেকেই সংঘর্ষের শুরু হয়। আর সেই সংঘর্ষ ১১ দিন পর্যন্ত চলে। ইজরায়েলের তরফ থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পর হাজার হাজার ফিলিস্তিনি রাস্তায় নেমে উৎসব পালন করে। তাঁরা মিষ্টি পর্যন্ত বিতরণ করে। অনেকেই চিৎকার করে ধর্মীয় দিতে থাকে। অনেকেই আবার হাওয়ায় গুলিও চালায়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রালয় অনুযায়ী এই সংঘর্ষে ৬৬টি বাচ্চা, ৩৯টি মহিলা সমেত ২৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরেকদিকে, ইজরায়েলে একটি বাচ্চা আর একজন ীয় নাগরিক সহ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।