Press "Enter" to skip to content

হিন্দুদের জন্য গর্বের খবর! প্রাচীন রহস্যজনক শিবমন্দির পেল বিশ্ব সন্মান

[ad_1]

প্রাচীন হিন্দু জাতির প্রতিভা এতটাই বিশাল যে ওই শিকড়ের উপর বর্তমান হিন্দু সভ্যতা প্রচুর আঘাত সহ্য করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সম্প্রতি হিন্দুদের জন্য এক গর্বিত করার মতো খবর সামনে এসেছে। আসলে তেলেঙ্গানার কাকতীয় রুদ্রেশ্বর মন্দিরকে (kakatiya rudreshwara – Ramappa Temple) UNESCO রবিবার বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত করেছে। অসামান্য এই স্বীকৃতি পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী খুশি জাহির করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, বিশেষ করে তেলেঙ্গানার জনতাকে তিনি অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘রামপ্পা মন্দির মহান কাকতীয় বংশের উৎকৃষ্ট শিল্পকলার প্রদর্শন করেছে। আমি আপনাদের সবাইকে রাজশ্রী এই মন্দিরের যাত্রা করার জন্য আর এর ভব্যতার প্রত্যক্ষ অনুভব প্রাপ্ত করার আবেদন জানাচ্ছি।”

বলে দিই, ওয়ারঙ্গালে থাকা এই শিব মন্দির একমাত্র মন্দির যার নাম এর শিল্পকার রামপ্পার নামে রাখা হয়েছে। ইতিহাস অনুযায়ী, কাকতীয় বংশের রাজা এই মন্দিরের নির্মাণ ত্রয়োদশ শতাব্দীতে করেছিলেন। সবথেকে বড় বিষয় হল, সেই সময় গড়া বেশীরভাগ মন্দিরই ভগ্নপ্রায় অবস্থায় রয়েছে, কিন্তু হাজার হাজার প্রাকৃতিক দুর্যোগের পড়ে এই মন্দিরের তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি।

এই মন্দিরটি হাজারটি স্তম্ভের উপরে বানানো হয়েছে। জানিয়ে দি, এই মন্দির এমন ধাতু, বস্তু দিয়ে তৈরি যা জলের উপর ভেসে থাকতে সক্ষম। এই শিব মন্দিরের এমন বেশকিছু রহস্য রয়েছে যা বিজ্ঞানীরা পর্যন্ত ভেদ করতে পারেননি। কাকতীয় হিন্দু সাম্রাজ্যে এই মন্দিরে তৈরির একটা বড়ো ইতিহাস রয়েছে। আলাউদ্দিন খিলজি এই সাম্রাজ্যের উপর আক্রমণ করে কোহিনুর হীরা চুরি করতে আনতে তার সেনাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি একটি টুইট করে লিখেছেন, আমি এটা জেনে খুব খুশি যে UNESCO তেলেঙ্গানার ওয়ারঙ্গালের রামপ্পা মন্দিরকে বিশ্ব ঐতিহ্যের খ্যাতি দিয়েছে। দেশের তরফ থেকে, বিশেষ রুপে তেলেঙ্গানার মানুষের তরফ থেকে আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মার্গদর্শন আর সমর্থনের জন্য ওনাকে ধন্যবাদ জানাই।

https://platform.twitter.com/widgets.js

বলে দিই, রামপ্পা মন্দির ত্রয়োদশ শতাব্দীর নিখুঁত ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অন্যন্য নিদর্শন। সরকারের তরফ থেকে ২০১৯ সালে একমাত্র এই মন্দিরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণার করার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

[ad_2]