Press "Enter" to skip to content

হিন্দুরা এক হয়ে সমর্থন করছে বিজেপিকে!! এমনি পরিসংখ্যান বেরিয়ে এলো কায়রানা উপনির্বাচন এর ফলাফল থেকে।

উত্তরপ্রদেশের কায়রানা উপনির্বাচনে ির হারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহল বেশ তোলপাড় হয়েউঠেছে। এই উপনির্বাচনে একদিকে ছিল অন্যদিকে ছিল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজবাদী পার্টির মিলিত দল। নির্বাচনে মোট ছিল ৯৩৮৭৪২ যেখানে বিজেপি পেয়েছে ৪৬.৫% এবং বিরোধী জোট পেয়েছে ৫১.১% অর্থাৎ ভোট শেয়ার এর পার্থক্য (৫১.১ – ৪৬.৫) অর্থাৎ ৪.৬%অন্যদিকে ২০১৭ তে বিধানসভা নির্বাচনে এই পার্থক্য ছিল ১৯% । অর্থাৎ ২০১৮ তে বিজেপি অনেকটা এগিয়ে প্রায় ১৫% ভোট বাড়িয়ে নিয়েছে।আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই যে, এই উপনির্বাচন মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ তারা চাইছিল তাদের সম্প্রদায় থেকে কেউ একজন বিধায়ক হোক যাতে তাদের বিষয়বস্তু কেন্দ্রের সামনে তুলতে পারে বিধায়ক। কিন্তু বিজেপির কাছে কোনো মুসলিম ক্যান্ডিডেট ছিল না অন্যদিকে বিরোধীজোটের  কাছে মুসলিম ক্যান্ডিডেট ছিল।

আপনারা হয়তো এটাও জানেন যে কায়রানার সমস্থ মসজিদ থেকে মৌলানারা প্রচার চালাচ্ছিল জোটদলকে জেতানোর জন্য। অর্থাৎ মুসলিম সম্প্রদায় বিজেপিকে হারানোর জন্য সমস্থ শক্তি লাগিয়ে দিয়েছিল তারপরেও মাত্র ৪.৬% পার্থক্য এ বিজেপিকে হারাতে সক্ষম হয়।

আপনাদের এটাও জানিয়ে , কায়রানাতে সংখ্যা কম, মুসলিম সংখ্যা বেশি হলেও  ভোটারদের সংখ্যা হিসেবে হিন্দু ভোটারদের কাছে ৬০% ভোট রয়েছে এবং ারদের কাছে ৪০% ভোট রয়েছে। এর কারণ এই কয়েক বছরে হিন্দুরা কায়রানা থেকে পলায়ন করেছে ফলে সংখ্যা কমলেও তাদেরকে ভোট এখনো কায়রানাতেই দিতে হয়। কিন্তু এটা উপনির্বাচন( গঠনের কোনো ব্যাপার ছিল) হওয়ায় এই নির্বাচনে হিন্দুরা বেশি হারে ভোট দিতে আসেনি। অন্যদিকে মুসলিমরা এই নির্বাচনে একতা হয়ে ভোট দিয়েছিল। আরেকটা বিষয় উল্লেখ্য , হিন্দুরা বেশি হারে ভোট না দিলে এলেও হিন্দুদের মোট ভোটের প্রায় ৮০% ভোট বিজেপি পেয়েছে অর্থাৎ কায়রানা এলাকায় সমস্ত হিন্দু ভোট একজোট হয়ে বিজেপিকে সমর্থন করেছে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।এই পরিসংখ্যান থেকে আরেকটা বিষয় নিশ্চিত যে ২০১৯ নির্বাচনে কায়রানা এলাকায় বিজেপি অনেক বেশি শক্তিশালী থাকবে জোটদলের থেকে কারণ ১৯ নির্বাচনে প্রায় সব হিন্দুরাই ভোট দেওয়ার জন্য বেরিয়ে আসবে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.