Press "Enter" to skip to content

‘হিন্দু নববর্ষের” শুভকামনাকে কট্টরতা বললেন মহুয়া মৈত্র! মোক্ষম জবাবও পেলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়



কলকাতাঃ তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র ধর্মনিরপেক্ষতার চক্করে হিন্দু নববর্ষকেও এখন কট্টরতার সঙ্গে জুড়ছেন। ওনার মতে বিজেপি দ্বারা হিন্দু নববর্ষের শুভকামনা দেওয়া কট্টরতা।

চৈত্র নবরাত্রির প্রথম দিন ১২ এপ্রিল ২০২১-এ হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নতুন বছর বিক্রম যুগ ২০৭৮ শুরু হয়েছে। দেশের অনেক রাজ্যের হিন্দুরা চৈত্র মাসের প্রথম নবরাত্রির দিনকে নতুন বছরের শুভারম্ভ হিসেবে পালন করেন। ঠিক একই ভাবে অনেক হিন্দু বিশেষ করে গুজরাতে কার্ত্তিক মাসে দীপাবলির পরের দিনকে নতুন বছর হিসেবে পালন করে। হিন্দুদের মধ্যে আলাদা আলাদা যায়গায় আলাদা আলাদা দিনকে নতুন বছর হিসেবে পালন করা হয়।

https://platform.twitter.com/widgets.js

এছাড়াও ভারতের বিভিন্ন অংশে হিন্দু ক্যালেন্ডারেও বিভিন্নতা দেখা দেয়। ভারতকে ‘বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য” এমনি এমনিই বলা হয় না। দেশের কিছু অংশে চৈত্র মাসের মধ্যে বৈশাখ মাস শুরু হয়ে যায়। আর এই বৈশাখ মাস পশ্চিমবঙ্গ, অসম আর ত্রিপুরাতে নতুন বছর হিসেবে পালিত হয়।

https://platform.twitter.com/widgets.js

কিন্তু তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র বিজেপি দ্বারা ‘হিন্দু নব বর্ষ”র শুভেচ্ছা জানানোয় চটে যান। তিনি এমনই চটে যান যে, এই শুভেচ্ছাবার্তাকে কট্টরতার সঙ্গে যুক্ত করে দেন। হিন্দু নববর্ষের শুভেচ্ছাকে কট্টরতার সঙ্গে যুক্ত করার কারণে টুইটারে বেশ কয়েকজন ওনাকে হিন্দু নববর্ষের পাঠও পড়ায়। কিছু লোক এটিকে হিন্দুত্ব সম্পর্কে অজ্ঞতা হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

https://platform.twitter.com/widgets.js

যদিও, এটাই প্রথম না যে মহুয়া মৈত্র বিজেপি অথবা হিন্দু সংস্কৃতি নিয়ে কোনও প্রশ্ন তুললেন। এর আগে নতুন সংসদ ভবনের শিলন্যাস এবং ভূমিপুজো নিয়েও তিনি কটূক্তি করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ধর্মনিরপেক্ষ দেশে নতুন সংসদ ভবনের ভূমিপুজো হওয়া ধর্মনিরপেক্ষতাকে আঘাত করা।