হিন্দু সমাজ ও বিজেপির জন্য সুখবর। মুখ পুড়লো হিন্দু বিরোধী কংগ্রেসের।

কর্নাটকে কংগ্রেস সরকার বিভাজনের রাজনীতির মাধ্যমে লিঙ্গায়েত হিন্দুদের ভেঙে তাদের ভোটব্যাঙ্ক বাড়ানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল ।কংগ্রেস চেয়েছিল লিংয়েতদের নতুন সংখ্যালঘু তৈরী করে তাদের মন জয় করতে।

আসলে কংগ্রেস এই রাজনীতি এই জন্য চেলেছিলো যাতে লিঙ্গায়েতদের ভোটের একটা বড়ো অংশ কংগ্রেসে চলে আসে,কারণ এতদিন অবধি লিঙ্গায়েতরা বিজেপির দিকেই ঝুঁকে ছিল।পরিসংখ্যান অনুযায়ী লিঙ্গায়েতদের ১০ শতাংশও কংগ্রেসকে ভোট প্রদান করে না। এমত অবস্থায় কংগ্রেস ভেবেছিল লিঙ্গায়েতদের নতুন ধর্মে ভেঙে দিলে লিঙ্গায়েত সমাজের পুরো ভোট তারা পেয়ে যাবে।
হ্যাঁ এটা মানতে হবে যে কংগ্রেসের এই নোংরা রাজনীতির জন্য সামান্যকিছু ভোট লিঙ্গায়েত সমাজ পাবে তবে একটা ভালো বিষয় এই যে, সম্প্রতি হওয়া এক সার্ভে এক রিপোর্ট অনুযায়ী ৬৩% লিঙ্গায়েত কংগ্রেসের নতুন ধর্ম চান না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে।

অর্থাৎ ৬৩% লিঙ্গায়েতরা হিন্দু ধর্মের মধ্যেই থাকতে চান।বিশেষজ্ঞদের মতে এই নির্বাচনে লিঙ্গায়েতদের একটা বড়ো সংখ্যার ভোট বিজেপি নিশ্চিত পাবে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, লিঙ্গায়েত ধর্ম গ্রহণ করবেন কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে ৬৩% লিঙ্গায়েত হিন্দু নতুন ধর্ম নিতে অস্বীকার করেছেন, ১৭% অপরিস্কার ভাষায় হ্যাঁ জানিয়েছেন, ১৩% নতুন ধর্মের দিকে সায় দিয়েছেন এবং ৭% জানি না বলে উত্তর দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, ৮৭% লিঙ্গায়েত সমাজ নতুন ধর্মের বিরুদ্ধেই থাকবে। কর্ণাটকের হিন্দুদের সব থেকে বড়ো আওয়াজ স্বামী রামভদ্রাচার্য এই বিভাজনের উপর ক্ষোপ প্রকাশ করেছিলেন যার পর থেকে লিঙ্গায়েত সমাজও কংগ্রেসের বিরোধিতায় নেমে পড়েছে।

Leave a Reply

Open

Close