Press "Enter" to skip to content

১৯ টি জেলার ৪০,০০০ হিন্দু শরনার্থীকে নাগরিকত্ব দিতে কেন্দ্রকে তালিকা দিল যোগী সরকার! যার মধ্যে বেশিরভাগই বাংলা ভাষী শরণার্থী।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন () নিয়ে দেশের অনেক জায়গায় সহিংস বিক্ষোভের পরে এখন এই আইন বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায়, সরকার পাকিস্তানের, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দু শরণার্থীদের একটি তালিকা রাজ্যের 19 টি জেলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে প্রেরণ করেছে। এর দ্বারা উত্তরপ্রদেশ নাগরিকত্ব সংশোধন আইন কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু করার প্রথম রাজ্য হয়ে ওঠে। রাজ্য সরকার প্রস্তুত এই প্রতিবেদনের নাম দেওয়া হয়েছে “পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে উত্তর প্রদেশে আগত শরণার্থীদের একটি জরুরি গল্প”। এই প্রতিবেদনে ব্যক্তিগত গল্প এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসার পর দশক ধরে এখানে বসবাসরত শরণার্থীদের চিহ্নিত করার জন্য স্বরাষ্ট্র বিভাগ গত সপ্তাহে সমস্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্দেশ দিয়েছিল। এর তালিকা সরকারের কাছে হস্তান্তর করতেও বলেছে। আসলে, এই তালিকাটি তৈরি করা হচ্ছে যাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র বিভাগে প্রেরণের মাধ্যমে দেশের নাগরিকদের আইনী নাগরিকত্ব দেওয়া যেতে পারে। উত্তরপ্রদেশ এই নতুন আইন নিয়ে কাজ করা দেশের প্রথম রাজ্য হবে।

বলা হচ্ছে যে অভিবাসীদের আইনের আওতায় নাগরিকত্ব দেওয়া যাবে না তাদেরও চিহ্নিত করে তালিকাভুক্ত করা হবে। তাদের তথ্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে প্রেরণ করা হবে। একই সাথে, তথ্য সংগ্রহের পরে, জানা গেছে যে ইউপিতে প্রায় ৪০,০০০ অমুসলিম অভিবাসী রয়েছেন। যার বেশিরভাগই আগ্রা, রায় বরেলি, সাহারানপুর, গোরক্ষপুর, আলীগড়, রামপুর, মুজাফফরনগর, হাপুর, মথুরা, কানপুর, প্রতাপগড়, বারাণসী, আমেঠি, ঝাঁসি, বাহরাইচ, লক্ষিমপুর খেরি, লখনউ, মীরাট ও পিলিবিতে বসবাস করে।

এই শরণার্থীদের মধ্যে বাংলাভাষী শরণার্থীদের একটা বড়ো সংখ্যা রয়েছে। যোগী সরকার ভাষা ভিত্তিক কোনো ভেদভাব না করেই সকল শরনার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, দেশজুড়ে CAA নিয়ে তীব্র বিরোধ দেখা গেছিল। CAA যাতে লাগু না করা যায় তার জন্য বাম, কংগ্রেস একসুরে রাস্তায় নেমেছিল। তবে এখন যা পরিস্থিতি সেই থেকে বলা যায় যে সরকার তার উদেশ্য সফল হয়েছে।