1962 তে ভারত-চীন যুদ্ধে RSS কিভাবে ভারতীয় সেনাকে সমর্থন করেছিল জানলে হিন্দু হিসেবে গর্বে বুক ফুলে উঠবে !!

বামপন্থী,কংগ্রেস ও কিছু সেকুলার লোকজন প্রায়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগঠন আরএসএস এর উপর সন্ত্রাসবাদের মিথ্যা অভিযোগ আনেন। তাদের বক্তব্য আরএসএস গেরুয়া সন্ত্রাসবাদ ছড়ায়, জাতিভেদ প্রথাকে উস্কানি দেয়। আপনাদের জানিয়ে দি, যারা আরএসএস এর বিরুদ্ধে এইরকম মিথ্যা প্রচার করে তারা RSS এর ইতিহাস জানে না বা RSS এর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কোনোদিন পা রাখেননি। যাইহোক, কোনো কংগ্রেসের ব্যাক্তি কি কখনো RSS এর ভালো কাজের সমর্থন করেছে? RSS এর স্বেচ্ছাসেবকরা প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের পশে এসে দাঁড়ায়, একথা কি কংগ্রেস স্বীকার করবে? উত্তর হলো না, কখনোই তারা আপনার সাথে সহমত পোষণ করবে না। আজ আমরা আপনাদের RSS নিয়ে কিছু অজানা তথ্য জানতে চলেছি। আপনি যদি RSS এর স্বেচ্ছাসেবক হন বা RSS এর সমর্থক হন তাহলে এই তথ্য জানার পর আপনি গর্ব বোধ করবেন।

অন্য দেশপ্রেমিক মতোই আরএসএসও সর্বদা দেশের পশে থাকে এবং ইতিহাসেও ছিল।RSS সর্বদা দেশের সেনাবাহিনীকে সমর্থন করেছে । ১৯৬২ সালে ইন্দো-চায়না যুদ্ধের সময় RSS ভারতীয় সেনার সাথে এক হয়ে লড়াই করে নিজেদের রক্ত ঝরাতেও অস্বস্তি বোধ করেনি।

জানলে অবাক হবেন, আজ যে বামপন্থী দল RSS এর বিরোধিতা করে, তারা সেই সময় তাদের কর্মচারীদের ভারতীয় সেনাকে ব্লাড ডোনেট পর্যন্ত করতে বন্ধ করেছিল। অন্যদিকে নেহেরুর সরকার ভারতের সেনাদের অত্যাধুনিক অস্ত্র তো দূর শীতল এলাকায় লড়াই করার জন্য গরম পোশাক পর্যন্ত প্রদান করতে পারেনি। এই রকম পরিস্থিতিতে, যখন কেউ ভারতের সেনাবাহিনীর সাথ দিতে এগিয়ে আসেনি তখন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা ভারত মায়ের জন্য নিজের প্রাণ দিতে এগিয়ে এসেছিল। আপনাদের আরো জানিয়ে রাখি, যুদ্ধের আগে পর্যন্ত পন্ডিত নেহেরু বক্তব্য ছিল- ‘হিন্দি চিনি ভাই ভাই।’ চিন নেহরুর এই নরমপন্থীর সুযোগ পেয়ে হটাৎ করে ভারত আক্রমণ করে বসে। RSS এর মহান কৃতিত্ব দেশজুড়ে প্রশংসিত হয় এবং জওহরলাল নেহেরু ১৯৬২ এর প্রজাতন্ত্র দিবসে RSS কে প্যারেড এর জন্য আমন্ত্রিত করেন।

কিন্তু দুঃখের বিষয় RSS এর এই মহান কাজ কংগ্রেস সরকারে পাঠ্যপুস্তকের পাতায় নথিভুক্ত করেনি কংগ্রেস সরকার।

ভিডিও-

Leave a Reply

Open

Close