Press "Enter" to skip to content

১৯৮৪ শিখ হত্যা মামলায় মোদী গঠন করেছিল SIT, শুরু হলো ন্যায় পাওয়া! ১ জনের ফাঁসি ও ১ জনের যাবৎজীবন জেল ঘোষণা করল কোর্ট।

১৯৮৪ সালে কংগ্রেস পার্টি ও তাদের কার্যকর্তারা বহু শিখকে হত্যা করিয়ে দিয়েছিল। এই মামলায় এবার মানুষ ন্যায় পেতে শুরু করেছে। যতদিন কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল ততদিন এই মামলায় ১ জনেরও সাজা হয়নি। আদালতে এই মামলা দিনের পর দিন ধরে ঝুলে ছিল। ২০১৪ সালে মোদী সরকার তৈরি হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী মোদী ১৯৮৪ এর মামলায় SIT গঠন করেছিলেন। এতদিনে প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রচেষ্টায় শিখ সমাজ ন্যায় পেতে শুরু করেছে। গতকাল পাতিয়ালা হাউস কোর্ট ১৯৮৪ মামলায় ১ জনের ফাঁসির সাজা এবং আরেকজনের যাবৎজীবন জেল ঘোষণা করেছে। ইয়াসপাল সিংকে ফাঁসির শাস্তি এবং নরেশ সাহারাওতকে যাবৎজীবন জেলের শাস্তি ঘোষণা করা হয়েছে। মোদী আমলে ১৯৮৪ দাঙ্গার মামলায় শিখরা ন্যায় পেতে শুরু করেছে।

কংগ্রেস পার্টির নেতা রাজীব গান্ধী ১৯৮৪ এর শিখ গণহত্যাকে সঠিক ও ন্যায্য কাজ বলেছিলেন। রাজীব গান্ধী থেকে শুরু করে কংগ্রেসের বড়ো বড়ো নেতা শিখদের বিরুদ্ধে হওয়া দাঙ্গায় সামিল ছিল। কিছু নেতা আজকের দিনে মারা গেছে তো কিছু নেতা এখনও বেঁচে আছে। ১৯৮৪ মামলায় শিখরা কোনোদিন ন্যায় পায়নি। কিন্তু আজ এত বছর পর শিখরা ন্যায় পাচ্ছে। শিখরা ন্যায় তখন পেলো যখন প্রধানমন্ত্রী মোদী এই ব্যাপারে SIT গঠন করেছিলেন।

ন্যায় পাওয়ার পক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে এবং দোষীরা শাস্তি পেতে শুরু করেছে। যেখানে কংগ্রেসের বড়ো বড়ো নেতাদেরও লাইন আসতে পারে। এই মামলা কংগ্রেস আমলে সম্পূর্ণভাবে দাবিয়ে রাখা হয়েছিল এবং শিখদের ন্যায় পাওয়া থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। কিন্তু গতকাল ১ জনের ফাঁসি ও ১ জনের যাবৎজীবন কারাদন্ড শাস্তি ঘোষণার পর ন্যায় এর আশা দেখা যাচ্ছে।

জানিয়ে দি, ১৯৮৪ সালে দিল্লির মহিপালে কংগ্রেস নেতা ও কংগ্রেস কার্যকর্তারা শিখবিরোধী আক্রমণ চালিয়েছিল। কিন্তু ৩৪ বছর ধরে মামলা দাবিয়ে রাখার পর এবার মোদী আমলে এই ইস্যু খোলা হয়েছে। বিজেপি সাংসদ সুব্রামানিয়াম স্বামী বলেছেন ৩৪ বছর ধরে শিখদের ন্যায় দেওয়া হয়নি কিন্ত আমরা ক্ষমতায় আসা মাত্র এই মামলায় কাজ শুরু করেছিলাম। ধীরে ধীরে বাকি দোষীদের সাজা হবে বলে উনি জনগণকে আস্বস্ত করেন।