Press "Enter" to skip to content

দিলীপ-মুকুলের মাস্টারস্ট্রোক! তৃণমূল থেকে এক ধাক্কায় ২.৫ লক্ষ মতুয়া ভোট ছিনিয়ে নিলো বঙ্গবিজেপি।

কিছুদিন আগে অসমে N.R.C হয়েছিল। তখন থেকেই এই মাতুয়াদের নিয়ে আমাদের রাজ্যে রাজনীতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। এই মাতুয়াদের একটা অংশ প্রথমে তৃনমূলের দিকে থাকলেও, এখন তাদের মধ্যে ফাটল ধরিয়ে তাদেরকে বিজেপির দিকে টানতে সক্ষম হয়েছেন। এমনটাই দাবি করা হচ্ছে রাজ্য বিজেপির তরফে।
বেশ কিছুদিন আগে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দাবি করেছিলেন যে, মাতুয়াদের নিয়ে এখন রাজ্যের সব দল রাজনীতি করছে। কিন্তু কেউ মাতুয়াদের কথা ভাবছেন না। তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে কারুর মধ্যে কোনও মাথা ব্যাথা নেই। বিজেপিই একমাত্র তাদের নিয়ে ভাবছেন এবং তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। সেই জন্য “নাগরিকত্ব বিল” পাশ করাতে চাইছেন । এরপর থেকেই সারা দেশ জুড়ে মাতুয়ারা ধীরে ধীরে বিজেপিতে যোগদান করতে থাকেন।

শান্তনু ঠাকুর যিনি সারা ভারত সংঘের সঙ্ঘাধিপতি তিনি বরাবরই বলে আসছেন যে তিনি অরাজনৈতিক। কিন্তু বর্তমান দিনে তাদের মাতুয়া সমাজের কথা ভেবে বিজেপি যেভাবে কাজ করছেন এবং তাদেরকে নাগরিকত্ব পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন তার ফলে তিনিও ধীরে ধীরে বিজেপি ঘেঁষা হয়ে পড়ছেন।

dilip Ghosh - দিলীপ ঘোষ
ঘোষ

গত বুধবার বিজেপির আহ্বানে ৩০০ জন মতুয়া কলকাতায় বিজেপির প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। এবং দলীয় পতাকা নিজেদের হাতে তুলে নেন। ঠিক তারপরে একই দিনে বিজেপিতে যোগদান করেন আরও ২০০ জন বৈষ্ণব সন্ন্যাসীও। এবার রাজ্য বিজেপি দাবি করে যে, তৃনমূল ছেড়ে একসাথে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মতুয়া বিজেপিতে যোগদান করেন।

dilip Ghosh - দিলীপ ঘোষ
dilip Ghosh –

উত্তর ২৪ পরগনার জেলার অন্তর্গত  গোপালনগরের হরিশপুর ইটভাটার মাঠে মাতুয়াদের তরফে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে হাজির ছিলেন বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতা ও রাজ্য পরিদর্শক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় এবং রাজ্য বিজেপির নেতা রায়। এই সভা থেকেই দাবি করা হয় যে, এত সংখ্যক মাতুয়া বিজেপিতে যোগদান করেন।যদিও তৃণমূলের মতুয়া নেত্রী মমতাবালা ঠাকুর সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে দাবি করেছিলেন যে, এই সভায় কোনো মাতুয়া উপস্থিত হবেন না, সভা সম্পূর্ণরুপে ব্যর্থ হবে কিন্তু এই দিন দেখা যায় যে বিশাল পরিমানে মাতুয়ে এই দিন সভায় উপস্থিত হয়ে এই জনসভা সাফল্যমণ্ডিত করেন।
#অগ্নিপুত্র