Press "Enter" to skip to content

রোহিঙ্গা ও অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য ফ্রিতে রেশন থাকলেও ক্ষুদার জ্বালায় মারা গেল ৩ শিশু।

তিনটি বাচ্চা যাদের বয়স যথাক্রমে ২ বছর, ৪ বছর ও ৮ বছর খিদের জ্বালায় ছটফট করে মারা গেল কিন্তু নিশ্চুপ মিডিয়া ও বিদ্ধিজীবীরা। আসলে ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির মন্দাবালি এলাকায়। এই ঘটনা যদি উত্তরপ্রদেশ বা ঝাড়খণ্ডের মতো বিজেপি শাসিত রাজ্যে হতো তাহলে ডিবেট ও প্রতিবাদ করে করে দেশকে উত্তাল করে তোলা হতো। কিন্তু যেহেতু ঘটনাটি কেজরিওয়ালের শাসিত দিল্লীতে ঘটেছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি এই ৩ টি বাচ্চার বাবা দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে রিক্সা চালান এবং এই কারণে কিছু দিন পর পর বাড়ি ফিরতেন। বাচ্চা তিনটির মা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল। আজকাল শহরের এক প্রতিবেশী আরেক প্রতিবেশীর দিকে ঘুরেও দেখে না। কিন্তু এলাকায় প্রশাসন ছিল, অঙ্গনওয়ারি ছিল কিন্তু কেউ কোনো গুরুত্ব না দেয়ায় মারা গেল ওই ৩ টি ছোট বাচ্চা।

কেজরিওয়ালের আমআদমি পার্টি দিল্লির প্রত্যেক এলাকায় আমআদমি ক্যান্টিন খোলার কথা বলেছিল। কোথায় সেই ক্যান্টিন? লজ্জার ব্যাপার এই যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল দেশের প্রত্যেক ব্যাপারে টুইট করে মোদী বিরোধিতায় নেমে পড়ে কিন্তু এই ঘটনায় একবারের জন্যেও মুখ খোলনি তিনি। আপনাদের আরো জানিয়ে দি, দিল্লির যে এলাকায় তিনটি বাচ্চার মৃত্যু ঘটেছে ওই এলাকা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোধিয়ার বিধানসভা এলাকা। কেজরিওয়াল সরকার আসার সময় দাবি করেছিল যে প্রত্যেক দিল্লীবাসীর ঘরে ঘরে রেশন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় রেশনের সমস্ত কিছু রোহিঙ্গা ও অবৈধ বাংলাদেশীদের মধ্যে বিলি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল কেজরিওয়াল সরকার।

ভারতের সংবিধান অনুযায়ী ভোজন প্রত্যেক ভারতীয়র জন্মগত অধিকার আর সেটা দেখাশোনা করার দায়িত্ব প্রত্যেক রাজ্য সরকারের। সরকারি টাকায় বিদেশ থেকে কেনা গাড়িতে চেপে ঘুরে বেড়ানোর সময় তো মনীশ সিসোধিয়ার কাছে আছে কিন্তু যাদের জন্য আজ তিনি উপমুখ্যমন্ত্রী তাদের খেয়াল রাখার সময় উনার কাছে নেই।


আপনাদের জানিয়ে রাখি কেজরিওয়াল সেই মুখ্যমন্ত্রী যিনি ২ কোটি টাকার ইফতার পার্টি দিয়েছিলেন, অবৈধ বাংলাদেশি মুসলিম ও রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য ঝুপড়ি বানিয়ে সেখানে সপ্তাহে রেশন পৌঁছানোর ব্যাবস্থা করেছেন।

এমনকি তাদের জন্য বিনামূল্যে জল ও আলোর পরিষেবা প্রদান করেছেন। কিন্তু মন্দাবালির ৩ হিন্দু মেয়ে খিদের যন্ত্রনায় ছটফট করে মারা গেলেও উনি খোঁজ খবর রাখেননি। অন্যদিকে মিডিয়া খবরটিকে চেপে বসে আছে অথচ দিল্লিতেই মিডিয়া সবথেকে সক্রিয় হয়ে থাকে। আসলে গরিব মাতা পিতার এই ৩ টি বাচ্চার ভুল ছিল যে তারা হিন্দু ভারতীয় ছিল যা কেজরিওয়ালের ভোটব্যাঙ্ক নয়।