Press "Enter" to skip to content

৩০ টি অবৈধ চ্যানেলকে বন্ধ করলো কেন্দ্র। মোদী সরকারের পদক্ষেপে রেগে লাল কট্টরপন্থীরা।

শাসন চালু হওয়ার পর থেকে পাথরবাজ ও আতঙ্কবাদীদের সন্ত্রাসবাদ ছড়ানো সমস্যা হয়ে উঠেছে। মেহবুবা মুফতি আমলে যেখানে পাথরবাজরা সেনার কাজে বাধা সৃষ্টি করতো তারাই আজ সেনার মারের ভয়ে দৌড় দিচ্ছে। কাশ্মীর ঘাঁটিতে যেসব ্তাধারার প্রচারকরা যুবকদের মধ্যে হিংসা ঢুকিয়ে দিত তাদেরকেও শিক্ষা দিতে শুরু করেছে । কাশ্মীর ঘাঁটিকে সম্পুর্নরূপে শান্তিস্থল পরিণত করতে উঠেপড়ে লেগেছে

সম্প্রতি মোদী একটা বড়ো সিধান্ত নিয়েছে যা কট্টরপন্থীদের চোখ কপালে তুলেছে। আসলে কেন্দ্র সরকার জম্মুকাশ্মীরে অবৈধভাবে চালিত ৩০ টিরও বেশি চ্যানেলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে। মোদী সরকার জম্মুকাশ্মীরের ৩০ টি চ্যানেলকে সম্পুর্নরূপে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। এই চ্যানেলগুলি কাশ্মীরে অশান্তি ছড়ানোর মুখ্যভূমিকা পালন করতো বলে মনে করা হচ্ছে। এই চ্যানেলগুলি ইসলামিক দেশ পাকিস্থান ও সৌদি আরব থেকে বিনা অনুমতিতে জম্মুকাশ্মীরে চলছিল এবং ভারত বিরোধী প্রচার চালাতো। এই চ্যানেলগুলি ভারতের সেনাবিরোধী প্রচারও চালাতো বলে জানা গিয়েছে যার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে যুবসমাজ সেনাদের উপর পাথরবাজি করতে উস্কানি পেত। নিষিদ্ধ চ্যানেলগুলির মধ্যে পাকিস্থানের পিস টিভি, জিও,এআরওয়াই এর মতো চ্যানেলগুলি রয়েছে। জম্মুকাশ্মীরের কেবেলস অপারেটরদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা কোনোভাবে ওই চ্যানেল না প্রদান করে।

কিছুদিন আগেই কেন্দ্র সরকার কিছু হোয়াটআপ গ্রুপের উপর কড়া নজর রেখে তাদের এডমিনদের উপর পদক্ষেপ নিয়েছে। আসলে সোশ্যাল মিডিয়ার গ্রুপের মাধমে কিছু মানুষ জম্মুকাশ্মীরে হিংসা ছড়ানোর কাজ করতো তাদের উপর লাগাম লাগাতেই এই ব্যাবস্থা নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। সরকারের এই পদক্ষেপগুলিতে রেগে লাল হয়ে রয়েছে দেশে ও ঘাঁটিতে থাকা মেহবুবার মতো কিছু কট্টরপন্থীরা। মেহবুবা তো ির উপর আক্রমণ করতে গিয়ে গোটা দেশে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার মতো হুমকি দিয়েছে।