Press "Enter" to skip to content

জম্মুকাশ্মীরে সেনার ধামাকাদার অপেরাশন! সকাল সকাল মেরে ফেলা হলো জাকির মুসার ৬ আতঙ্কবাদীকে।

জম্মু-কাশ্মীরে শুরু হওয়া জঙ্গি সাফাই অভিযানের “অলআউট অপারেশন” এ থামার নাম নিচ্ছে না। জম্মু কাশ্মীরে ইসলামিক জঙ্গিদের বেশিদিন বেঁচে থাকা এখন দুঃসাধ্য ব্যাপার হয়ে উঠেছে। আজ পুলবামা এলাকায় সেনা ও সুরক্ষাকর্মীরা বড়ো সাফল্য পেয়েছে। ভারতীয় সেনা ও সুরক্ষাকর্মীরা পুলবামার অবন্তীপুরায় ৬ জন আতঙ্কবাদীকে জান্নাতে পাঠিয়ে দিয়েছে। পুলিশের এক আধিকারিক থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, অবন্তীপুরা এলাকার আরামপুরা গ্রামে জঙ্গি থাকার গোপন তথ্য সেনার কাছে আসা মাত্র, সেনা ও সুরক্ষাকর্মীরা গ্রামের ঘেরাবন্ধি করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে দেয়।

অনুসন্ধানের সময়কালে আতঙ্কবাদীরা সেনার উপর গুলি চালাতে শুরু করে যারপর জবরদস্ত পতিক্রিয়া শুরু হয় সেনার পক্ষ থেকেও। পুলিশ আধিকারিক জেনারেল প্রকাশ পানী বলেছেন, আতঙ্কবাদী ও সেনার টক্করে ৬ জন আতঙ্কবাদীর মৃত্যু ঘটে। প্রকাশ পানী বলেন, কড়া টক্কর হওয়ার পর ৬ জন আতঙ্কবাদীর মৃত্যু ঘটে এবং সেখান থেকে বোমা, গোলা, বারুদ ইত্যাদি সংগ্রহ করা হয়। আতঙ্কবাদীদের সাথে সেনার লড়াইয়ে কোনো সাধারণ মানুষ হতাহত হয়নি।

যে আতঙ্কবাদীদের জান্নাতে পাঠানো হয়েছে তাদের পরিচয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই আতঙ্কবাদীরা জাকির মুসা গ্রুপের সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে। এই বছর জম্মুকাশ্মীরের আতঙ্কবাদী মৃত্যু সংখ্যা ২০০ পেরিয়ে গেছে। ২৪১ জকনা আতঙ্কবাদী ঘাঁটি মারা গেছে অন্যদিকে ১৫ জন্য নিয়ন্ত্রণ রেখার উপর নিহত হয়েছে।

জানিয়ে দি, সেনা এখন আরো একটা বড়ো অপেরাশন চালু করতে পারে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। আসলে সরকার চাইছে সেনার মূল শিকড় নষ্ট করে আতঙ্কবাদী সমস্যা চিরতরে মিটিয়ে দিতে। ২০১৭ সালেও আতঙ্কবাদী মৃত্যু সংখ্যা ২০০ পেরিয়ে গেছিলো এবং এই বছর সেই সংখ্যা আরো বেড়ে গেছে। তাই এবার জঙ্গিদের মূল মাথা নষ্ট করা সবথেকে শ্রেষ্ঠ উপায় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.