Press "Enter" to skip to content

বাস কন্ডাক্টরের মেয়ে তৈরি করলেন ইতিহাস! ১৮৩ বছর পর করলেন এমন কাজ।

বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও অভিযান এবার সফল হতে দেখা যাচ্ছে। এখন দেশের মেয়েরা গড়ে তুলেছ ইতিহাস। এবারেও গণতন্ত্র দিবসে এক মেয়ে ১৮৩ বছরের ইতিহাস বদলে দিল। আসলে এবছর গণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে অসম রাইফেলসের মহিলা টুকরোর নেতৃত্ব মেজর খুসবু কানোয়ার করেন যার ফলে ‘ নারী শক্তির ‘ প্রদর্শন দেখা যায়। মেজর খুসবু কানোয়ার অসম রাইফেলসের মহিলা টুকরোর কমান্ডার ছিলেন।

এটা জেনে খুবই অবাক হবেন যে দেশের ইতিহাস গড়ে তোলা খুসবুর বাবা একজন বাস কন্ডাক্টর ছিলেন এবং তিনি খুসবুকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা খুসবু কঠোর পরিশ্রম করে পূরণ করেছেন। একটি সন্তানের মা খুসবু যিনি আবার অসমের রাইফেলসের মহিলা টুকরির কমান্ডার, তাঁর নেতৃত্বে দেশের পুরোনো অর্ধসৈনিক বল অসম রাইফেলসের ১৪৭ জন মহিলা সৈনিকের টুকরো রাজসপথের সময় নারীশক্তির গৌরবকে প্রদর্শন করলেন। রাজসপথের সময় প্রথমবার দেশের সবচেয়ে পুরোনো বটালিয়নে সুমার এবং ১৮৩ বছর পুরোনো অসম রাইফেলসের মহিলা দস্তোরা নিজেদের দমখম দেখায়। জানিয়ে দি, অসম রাইফেলসের স্থাপনা ১৮৩৫ এ হয়েছিল।


গণতান্ত্রিক দিবসের প্যারেডে অংশ নেওয়ার পর মেজর খুসবু কানোয়ার জানান যে এটা তার জন্য খুবই গর্বের বিষয় যে তিনি নিজের ব্যাটালিয়নের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি বললেন যে মেয়েরা নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে এবং তিনি সব মহিলাদের এটাও বলেছেন যে স্বপ্ন পূরণ করার জন্য কোনো সর্টকাট হয় না। দেশের এই মেয়ের পিতা রাজস্থানে একজন বাস কোন্ডাক্টর এবং খুসবু জানান যে তার এই উপলব্ধিতে তাঁর বাবা খুব গর্ববোধ করেন। এবং তিনি বলেন যে তার বাবা জীবনে অনেক সংঘর্ষ করেছেন তাই এটা তার বাবার জন্য একটি ছোট্ট গিফট তার তরফ দিয়ে।

খুসবু বর্তমানে মনিপুর রাজ্যের উখরুলে মোতায়েন ছিলেন এবং উনি ২০১২ সালে কমিশন প্রাপ্ত করেছিলেন ও ২০১৮ তিনি ক্যাপ্টেন হলেন। খুসবুর স্বামী রাহুল তানোয়ার সেনায় আছেন ও তিনিও একজন কাপ্তান এবং খুসবুর শশুরও একজন রিটায়ার্ড ক্যাপ্টেন। খুসবু কানোয়ার এই প্যারেডের জন্য ছয় মাস কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন এবং তিনি মহিলা দস্তরের সঙ্গে সকাল ৮ থেকে ১০ অভ্যাস করতেন ও রোজ প্রায় ১২ থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতেন।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.