হিন্দু আতঙ্কবাদের পর এবার হিন্দু পাকিস্থান বলে দেশের হিন্দুদের অপমান করলো কংগ্রেস।

দেশের সবথেকে পুরানো রাজনৈতিক দল কংগ্রেস আরো একবার তাদের আসল রূপে ফিরে এসেছে। আসলে গান্ধী/নেহেরু পরিবার চালিত কংগ্রেস এমন দল যারা দেশে শুধু হিন্দুবিরোধী নাতি নিয়ে শাসন করেছিল। অবাক করার বিষয় কংগ্রেস এত বড়ো একটা দল হয়েও দুদিন আগেই অল ইন্ডিয়া মুসলিম ল বোর্ডের প্রস্তাব এ সমর্থন জুগিয়েছিল যা কোনো দিক থেকেই দেশের জন্য ভালো পদক্ষেপ নয়।

আসলে মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড শরিয়া আদালত তৈরি করে এক দেশে দু আইন তৈরী করতে চাইছে যা দেশের হিন্দু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবে এনিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।আসলে কংগ্রেস দল এর বরাবর একটাই উদেশ্য রয়েছে ভারতের হিন্দুদের নাম বদনাম করে নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক তৈরী করা আর এর জন্য তারা যেকোনো স্তর পর্যন্ত নামতে পারে। কংগ্রেসি সেই দল যারা এক সম্প্রদায়ের তোষণের জন্য এবং ভোটব্যাঙ্কের জন্য হিন্দুদের আতঙ্কবাদী বলে ঘোষণা করেছিল। শুধু তাই নয় সম্প্রতি কংগ্রেসের এক বরিষ্ট নেতা ভারতের হিন্দুদের সম্পর্কে যা বলেছেন তা জনার পর আপনিও রেগে লালা হবেন। আসলে কংগ্রেস নেতা শশী ঠাকুর এক সভায় বলেন, যদি ২০১৯ এ বিজেপি যেতে তাহলে ভারতবর্ষ হিন্দু পাকিস্থান এ পরিণত হবে। আসলে এই কথাটি বলা আর হিন্দুদের আতঙ্কবাদী বলার মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। শশী ঠাকুর বোঝাতে চান যে বিজেপি যেহেতু হিন্দুদের একটু হলেও মর্যাদা দিচ্ছে তাই হিন্দুরা উগ্র হয়ে পাকিস্থানের কট্টরপন্থী মুসলিমদের মতো আচরণ করেব। শশী ঠাকুরের এই বক্তব্য প্রত্যেক হিন্দুর কাছে বড়ো অপমান । শশী ঠাকুর বলেন বিজেপি দেশে গণতন্ত্র রক্ষা করছে না, তারা ভারতকে হিন্দু দেশে পরিণত করছে।

শশী ঠাকুরের ‘হিন্দুপাকিস্তান’ উক্তির পরেই দেশের হিন্দু সমাজ এর প্রতিবাদ জানাই। যার পর শশী ঠাকুর নির্লজ্জের মতো নিজের বক্তব্যকে ঘুরিয়ে দেখনো চেষ্টা করে। আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে হিন্দু সমাজ তাদের এই সহনশীলতা জন্য দিন দিন শেষ হয়ে আসছে আর অন্যদিকে কংগ্রেস ও বামপন্থীর মতো দলগুলি ভোটব্যাঙ্ক এর লোভে হিন্দু সমাজকে উগ্র, আতঙ্কবাদী, হিন্দু পাকিস্থান কোনো বলেই অপমান করতে ছাড়ছে না।

 

Open

Close