Press "Enter" to skip to content

বড় খবর : গেরুয়া হানায় কোমর ভাঙল তৃণমূলের! ভোটে জয়ী হয়ে বিজয় উল্লাসে মাতলো বিজেপি।

রাজ্য জুড়ে বিজেপির উত্থান দেখে এখন শাসক দল তৃনমূল কংগ্রেস কিছুটা ভীত হয়ে পড়েছেন। তাই তারা নানানভাবে হামলা করে নেতানেত্রীদের কে ভয় দেখানোরর চেষ্টা করছে। কিন্তু রাজ্য যে শাসক দলের এই চোখ রাঙানী কে পাত্তা দিতে নারাজ সেটা ভালো ভাবেই বুঝিয়ে দিলেন। এবার উত্তর বাধিয়া সমবায় সমিতির পরিচালন কমিটির নির্বাচন যেটা হয়েছিল রামনগর ১ ব্লকের বাধিয়া পঞ্চায়েতে সেই ভোটে শেষ হাসি হাসল রাজ্য । সেখানকার ১২ টি আসনের মধ্যে একটাতেও তৃনমূল দাঁত ফোটাতে পারে নি। অর্থাৎ সেখানকার আসন গুলিতে তৃনমূলের জমানত একেবারে জব্দ হয়ে গিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় এই বাধিয়া পঞ্চায়েতে ব্যাপক ভাবে ব্যর্থ হয়েছিল তৃনমূল কংগ্রেস। তাই সেই ব্যর্থতা ঢাকার জন্য এবার সমবায় নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছিল তারা তার ফলে রাজনৈতিক তরজা মনোনয়ন পত্র জমা পরার পর থেকেই চরমে উঠেছিল। কিন্তু এতকিছু করেও জনগনের রায় কে শেষ অব্দি আটকাতে পারলো না তৃনমূল কংগ্রেস। জয় হল বিজেপির।

জানা গিয়েছে যে ঠিক এই কারনেই অর্থাৎ বিজেপির জয়লাভের ফলেই ক্ষোভে ফুঁসছিল শাসক দল। তাই তারা গুন্ডা দিয়ে বিজেপি নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু তৃনমূলের তরফে বলা হয়েছে যে এই এলাকায় বিজেপির কোনো অস্তিত্ব নেই তাই আমাদের মারার কোনো কথা উঠছে না। কিন্তু শাসক দল যে কতটা মিথ্যা বলেছিলেন সেটা এইদিন ভোটের ফলাফল দেখেই বোঝা গেল। বিজেপি এখানে তৃণমূলকে হারিয়ে ১২-০ ফলাফলে এই এলাকায় জয়ী হয়েছেন তারফলে এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, এই এলাকাতে অত্যন্ত ধরাশায়ী হয়ে পড়েছে।

বিজেপির তরফে এই জয় নিয়ে দাবি করা হয়েছে যে, রাজ্যের সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন। আর সাধারণ মানুষের এই রায়ের ফলে এটাই স্পষ্ট হয়েছে যে, একদিকে যেমন তৃনমূলের উপর থেকে রামনগরের বাধিয়া এলাকার মানুষের বৃহৎ অংশের ভরসা উঠে যাচ্ছে তেমনই এবার সবাই বিজেপির দিকে ভরসা ঝুঁকে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। তৃনমূলের বিজ্ঞ মহল এর জন্য দায়ি করেছেন স্থানীয় দলীয় নেতৃত্বের ঔদ্ধত্বকে।

এই ভোট কে ঘিরে সকাল থেকেই এলাকাটি বেশ উত্তাল ছিল। সেই জন্যই এই ভোটের জন্য বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। সকালে ভোট হবার পর ফলাফল বের হয় রাতে। আর এই ফলাফল শোনার পরই সেখানকার ১২ জন বিজেপি প্রার্থীর সাথে পুরো বিজেপি নেতৃত্ব খুশিতে মেতে উঠেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন কিছুদিন আগে তৃনমূলের হাতে আক্রমনিত হওয়া বিবেক মাইতি। এইদিন ইনিই পেয়েছেন বিপুল সমর্থন। তিনি ছাড়া এইদিন বাকি ১১ জন জয়ী প্রার্থী হলেন বিদ্যুৎ মাইতি, রাখাল চন্দ্র সাউ, প্রমিলা ভুঁইয়া, বিকাশ চন্দ্র পয়ড়া, বঙ্কিম জানা, হেমন্ত মন্ডল,হেমন্ত নায়ক, তপন কুমার জানা, সঞ্জীব গিরি, সন্ধ্যারাণী শীট এবং মদনমোহন শীট।

এই সকল জয়ী প্রার্থীদের রাজ্য বিজেপির তরফে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। তাদের বিশেষ অভিনন্দন জানিয়েছেন তপন মাইতি যিনি বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি। তপন বাবু বলেছেন যে, রাজ্যে মানুষ এবার তৃনমূলের উপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলছেন। তাই তাদের ভোটে এটা পুরো স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠছে। এবং বিজেপির উপর ভরসা রাখলেই যে রাজ্যের উন্নতি করা সম্ভব সেটা এই জয়ের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মানুষ।
#অগ্নিপুত্র