Press "Enter" to skip to content

বাংলাদেশ,পাকিস্থান, আফগানিস্থান থেকে আগত হিন্দু, শিখ,বৌদ্ধ ও জৈন আমাদের ভাই! সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে- অমিত শাহ

ি অনুপ্রবেশকারীদের ভারত থেকে বের করা নিয়ে কয়েক মাস আগে রাজনীতি চরমে ছিল। আর এখনো সেই ইস্যুর চর্চা বন্ধ হয়নি। আসলে এই ইস্যুর মূল উদঘাটন তখন হয়েছিল যখন করার পর 40 লক্ষ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নাম উঠে এসেছিল। জুলাই মাসে যখন ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনশিপের ফাইনাল লিস্ট এসেছিল তখন এই ইস্যুতে বড়োসড়ো বিবাদ সৃষ্টি হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বে এই ইস্যুতে বিরোধীরা সরকারের সমালোচনা শুরু করেছিল যদিও দেশের জনগণ এক হয়ে বিজেপিকে সমর্থন করেছিল। বিজেপি প্রথম থেকেই NRC ইস্যুতে স্পষ্ট ছিল এবং বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বের করে দেওয়ার পক্ষে কথা বলেছিল।

গতকাল বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জয়পুরে NRC ইস্যুতে আরো একবার মুখ খোলেন। জয়পুরে বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টির সংকল্প এটা যে একটাও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ভারতে থাকতে পারবে না। বলেন ‘কংগ্রেস ও বাকি বিরোধীরা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য নতুন গেম প্ল্যান তৈরি করেছিল। বিরোধীদের বক্তব্য ছিল বাংলাদেশিদের বের করবেন তাহলে হিন্দুদের কি হবে?’

শাহ বলেন বিরোধীদের এটা আমাদেরকে শেখানোর দরকার নেই,মোদী সরকার সিটিজেন এমেজমেন্ট ২০১৬ বিল নিয়ে এসেছে যেখানে আমরা ঠিক করেছি , ও বাংলাদেশ থেকে যত , , আসবে তারা অনুপ্রবেশকারী নয় তারা শরণার্থী। এই দেশগুলি থেকে আসা হিন্দু, শিখ, , জৈনরা আমাদের ভাই তাদেরকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। জানিয়ে দি হিন্দু, শিখ, ও জৈন ধৰ্ম অখন্ড ভারতেই সৃষ্টি তাই এই ধর্মাবলীর শরনার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার সিধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। বিজেপি নেতারা একসুরে পুরো ভারতে NRC চালু করার কথা তুলেছে। বিজেপির বড়ো নেতা রাম মাধব বলেন এই অনুপ্রবেশকারীদেরকে ভোটার লিস্ট থেকে বের করে ডিপোর্ট করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন এই অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের জন্য খুব বড়ো একটা বিপদ এটা আমাদেরকে কড়া হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এটা দেশের প্রত্যেক জেলায় করা উচিত, এর মাধ্যমে আমরা দেশবাসীর ভবিষ্যতকে সুরক্ষা দেওয়ার মতো কাজ করবো। শুধু একটা রাজ্যের করলে সেই রাজ্যের অনুপ্রবেশকারীরা অন্য রাজ্যের চলে যাবে তাতে বিপদ দেশেই থেকে যাবে।