Press "Enter" to skip to content

সর্দার প্যাটেলের মূর্তি দেখে মুখ ভার করলো পাকিস্থান ও আমেরিকা! ভারতের উন্নয়নে হতাশ পাক মিডিয়া।

সম্প্রতি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের আমেদাবাদ থেকে ২০০ কিমি দূরে নর্মদা নদীর তীরে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তির উদ্ধোবোধন করেছেন। ের এই মূর্তি বিশ্বের সবথেকে উঁচু মূর্তি। জানিয়ে দি মূর্তি তৈরির কাজ পদ্মভূষণ ও পদ্মশ্রী বিজেতা কারিগরের দেখাশোনার আওতায় হয়েছে। জানিয়ে দি এই বামপন্থী ও কংগ্রেসরা ছাড়াও, তিনটি দেশ ের বিরোধিতা করছে। এই তিনটি দেশ হলো পাকিস্থান, ব্রিটেন ও আমেরিকা। বামপন্থী ও কংগ্রেসিরা কেন ের মূর্তি স্ট্যাচু অফ ইউনিটির(১৮২ মিটার) বিরোধিতা করছে সেটা পাঠকদের আমরা জানিয়ে ছিলাম। তবে এই তিনটি দেশ এই মূর্তির বিরোধ করার পেছনে বিশেষ কারণ রয়েছে।

আসলে আমেরিকার সবথেকে উঁচু মূর্তি স্ট্যাচু অফ লিবারিটি(উচ্চতা ৯২ মিটার) সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতো কিন্তু এখন ভারত দেশ আমেরিকার থেকে উঁচু মূর্তি তৈরি করার তারা ঈর্ষা বোধ করছে। আগে যেখানে পুরো বিশ্বের ভ্রমনার্থীরা আমেরিকার স্ট্যাচু অফ লিবারিটির দিকে আকর্ষিত হতো এবার তারা ভারতের স্ট্যাচু অফ ইউনিটির দিকে আকর্ষিত হবেন যা আমেরিকা মেনে নিতে পারছে না। আসলে ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় আমেরিকা কখনোই কোনো ওপর দেশের উন্নতি ভালো চোখে দেখে না।

পাকিস্থনের ব্যাপারে নতুন করে কিছু বলার দরকার পড়ে না কারণ পাকিস্থান তীব্র ভারত বিরোধী। ভারতের উন্নতি, বিকাশ দেখে পাকিস্থানের মিডিয়া নিজের দেশের সরকারকে কাঠগোড়ায় দাড় করিয়ে দিচ্ছে। তাই শেষমেষ পাকিস্থান এই মূর্তিকে নরেন্দ্র মোদীর রাজনীতি বলে দাবি করেছে। পাকিস্থানের রাজনেতাদের দাবি ২০১৯ এ ভারতীয়র জনতা পার্টি এই মূর্তিকে ভোট চাওয়ার মূল সাধন হিসেবে ব্যবহার করবে।

অন্যদিকে ব্রিটেনও এই মূর্তির বিরোধ করেছে কারণ তারা কখনোই চাই না যে ভারত দেশের জনগণ বা যুব সমাজ দেশের আসল ইতিহাস সম্পর্কে অবগত হোক। ব্রিটেন চাই ভারতের সমাজ কংগ্রেস ও ব্রিটিশদের মনগড়া ইতিহাস জানুক। কিন্তু এইভাবে দেশের আসল মহাপুরুষদেরকে ভারতে জনগণের সামনে ফুটিয়ে দিলে ব্রিটেনের আসল এজেন্ডা নষ্ট হয়ে যাবে।