Press "Enter" to skip to content

এটা কোনো বিরোধী ভাবেনি যে, অমিত শাহের একটা ফোন কলে শিব সেনা এমন করে দেবে..

২০১৯ লোকসভা নির্বাচন সামনে আসছে তাই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে একটা বড়ো আন্দোলন করার ইচ্ছায় ছিল বিরোধীরা। কিন্তু দেশে বিকাশের কাজ অর্থাৎ খাদ্য দ্রব্যের দাম কমানোর হোক, আবাস যোজনায় গরিবদের বাড়ি করে দেওয়া হোক সব দিক থেকেই ভালো কাজ করে মানুষের মন জয় করেছিল মোদী সরকার। এমনকি ক্ষমতায় আসার পর তেলের দামও কমিয়ে এনেছিল। কিন্তু কিছুমাস ধরে আন্তর্জাতিক কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ইস্যুতে আন্দোলন শুরু করে বিরোধীরা। এমনকি মোদী সরকারের বিরোধে ের ডাক দেয় কংগ্রেস, বামপন্থী সহ আরো কিছু বিরোধীরা। যদিও কিছু দল ে অংশ নিতে অস্বীকার করে দেয়। যার মধ্যে মহারাষ্ট্রের শিবসেনাও এই বন্ধে অংশ নেয়নি।

মোদী বিরোধিতা করেও হটাৎ বন্ধে যোগদান করতে অস্বীকার করে শিবসেনা। সূত্রের খবর, শিবসেনার এক বরিষ্ঠ নেতা বলেন ের ফোন এসেছিল। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফরণবিশও ফোন করেছিল। এখন আমরা খোলাখুলি বন্ধের সমর্থন না করার সিধান্ত নিয়েছি। আমরা পেট্রোল ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে অবশ্যই বিরোধ করছি ও সরকারের নীতির বিরুদ্ধেও যাচ্ছি কিন্তু বন্ধ সমর্থন করছি না।

আসলে শিব সেনা প্রথমে সিধান্ত নিয়েছিল ভারতবন্ধে কংগ্রেস ও বামপন্থীদের সমর্থন করার। কিন্তু বন্ধের ঠিক একদিন আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ শিবসেনাকে ফোন করেন। একই সাথে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফরণবিশও ফোন করেন। যারপর শিবসেনা নিজেদের পদক্ষেপকে বাতিল করে। জানিয়ে দি শিবসেনা ও বিজেপির মধ্যে বর্তমানে দ্বন্দ থাকলেও এই দুই পার্টির সম্পর্ক বেশ পুরানো বন্ধুত্বের।

তাই অমিত শাহের কথা মেনে ভারতবন্ধ থেকে সরে দাঁড়ায় শিবসেনা। ভারতবন্ধ নামে যে রাস্তায় খোলাখুলি গুন্ডামি হয়েছে এটা এখন জনগণের সামনে প্রকাশ হয়েছে। এমনকি ের জন্য এম্বুলেন্স আটকে রাখে বিরোধীরকে যাতে এক বাচ্চার মৃত্যু ঘটেছে।