Press "Enter" to skip to content

দুর্গা বিসর্জন, সরস্বতী পুজোয় ফের বাধা দিলে নবান্নের এক একটা ইট ধসিয়ে দেব- কড়া বার্তা অমিত শাহের।

আমাদের রাজ্যে যেভাবে দিনের পর দিন তোষণ বেড়ে চলেছে তা আজ সেকুলার ও বুদ্ধিজীবী ছাড়া কারোর চোখে এড়াইনি। কখনো হিন্দুদের দুর্গা বিসর্জন আটকে দেওয়া হয়, কখনো স্কুলে স্কুলে সরস্বতী পুজো হতে বাধা দিয়ে ছাত্র ছাত্রীদের অধিকার নিয়ে কেড়ে নেওয়ার ঘটনা চোখে পড়ে। এই সব দেখে শনিবারের মঞ্চ থেকে অমিত শাহ জি ধারালো ভাষায় আক্রমণ করলেন মমতা ব্যানার্জি কে। তিনি বললেন যে তোষনের একটা সীমা আছে কিন্তু তৃনমূল সরকার সেই সবকিছুর গন্ডি পার করে দিয়েছেন।অমিত শাহ হুঙ্কার দিয়ে বললেন, অপেক্ষা করুন বিজেপি আসছে। তারপর এই রাজ্যে আবার আগের মত দুর্গা বিসর্জনও হবে সাথে খুব ভালো ভাবে স্কুলকলেজ অনুষ্ঠিত হবে সরস্বতী পূজা। এবার যদি দুর্গা বিসর্জন আটকানোর হিম্মত দেখায় তাহলে মমতার সচিবালয়ের এক একটা ইট ধসিয়ে দেব।

অমিত শাহ জি এই দিন পরিসংখ্যান পেশ করে দাবি করেন যে দেশের আর্থিক উন্নয়নে অংশগ্রহনের মাত্রা অতিমাত্রায় কমে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের। দেশের আর্থিক উন্নয়নে বাংলা আগে অংশ ছিল ২৫ শতাংশ এটা স্বাধীনতার পরের সময়ের কথা। কিন্তু তারপর বাংলায় আসে কংগ্রেস তারা সেই হার কমিয়ে নিয়ে যায় ১৩ শতাংশতে। তারপর সিপিএম সেটা আরও তলানিতে নিয়ে যায় তারা বাংলার অংশ কে কমিয়ে করে দেয় ৪ শতাংশ। কিন্তু গত ৭ বছরে বাংলার অবস্থা আশংকাজনক দেশের আর্থিক উন্নতিতে বাংলার যোগদান ৩ শতাংশে নামিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জির তৃনমূল সরকার। তিনি বলেন যে বাংলার অবস্থা খুব খারাপ করে ছেড়ে দিয়েছে সিপিএম, তৃণমূল ও কংগ্রেস।

এরা সকলেই বাংলার উন্নয়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই তিনি বাংলার মানুষের কাছে অনুরোধ করেছেন যে সবাইকেই তো সুযোগ দিয়েছেন। এবার একবার নরেন্দ্র মোদী কে সুযোগ দিয়ে দেখুন। আমরা বাংলার উন্নতি করব। সেই পুরনো বাংলাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসব, যে বাংলা দেশ কে পথ দেখাবে। তিনি যে কতটা পরিমানে বাংলার ক্ষমতা চায় সেটা তার কথায় স্পষ্ট হয়ে গেল। তিনি বললেন যে আমাদের পার্টি তৈরি করেছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি। তাই শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির রাজ্যে যদি আমরা উন্নতি করতে না পারি তাহলে অন্য রাজ্য দখল করা আমাদের বৃথা হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন যে আগে যে বাংলাতে রোজ সকাল বিকাল ভোজন, শ্রী কৃষ্ণের কীর্তন শোনা যেত এখন সেখানে শুধুমাত্র বোম ফাটার আওয়াজ শোনা যায়। বাংলাতে কোনো নুতন শিল্প হচ্ছে না উলটে যারা ছিল তারাও নিজেদের সব কিছু গুটিয়ে চলে যাচ্ছে তার কারন এখানকার সিন্ডিকেট রাজত্ব দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। এখানে তৈরি হয়েছে বোমা, আস্ত্র কারখানা। এই সব কিছু করছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা আর তাদেরকে সাহায্য করছে রাজ্য সরকার। তিনি এটাও বলেন যে এর ফলে রাজ্যের মুসলিম ও হিন্দু উভয় সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
#অগ্নিপুত্র