Press "Enter" to skip to content

ঘুরে গেল সময়ের চাকা! অমিত শাহকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো চিদাম্বরমের ফাইল এখন উনার হাতে।

কথায় বলে, সময়ের চাকা সবথেকে শক্তিশালী। বড় বড় দ্বিগজ অহংকারী ব্যক্তিকে সময় শিক্ষা দিয়ে দেয়। মোদী আসার কেন্দ্রে ১০ বছর কংগ্রেসের সরকার ছিল। মোদীকে ফাঁসিয়ে জেলে ঢোকানোর অনেক প্রয়াস করেছিল সেই সময়ের কংগ্রেস সরকার। কিন্তু মোদীর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ ছিল না কংগ্রেসের কাছে। অন্যদিকে মোদী মুখ্যমন্ত্রী পদেও ছিলেন। তাই কংগ্রেস ষড়যন্ত্র করে অমিত শাহকে ফাঁসিয়ে ছিল। অমিত শাহকে অনেক প্রতারিত করা হয়েছিল, অনেক অপমান করা হয়েছিল। অমিত শাহ গুজরাটের মন্ত্রী ছিলেন এবং উনাকে অনেক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল।

উনাকে ভুয়ো মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। একইসাথে উনাকে অপমান করে গুজরাট থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আদালতে কেন্দ্রের কংগ্রেস সরকার কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল তাই প্রমান ছিল না। শেষমেষ আদালত অমিত শাহকে শর্ত ছাড়াই মুক্তি দেয়। যে সময় অমিত শাহকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল সেই সময় কংগ্রেস সরকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে ছিলেন পি চিদাম্বরম। আজ সময়ের চাকা ঘুরে গেছে, দেশের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। চিদাম্বরম ও তার ছেলের উপর দুর্নীতির মামলা রয়েছে।

এখন চিদাম্বরম ও তার ছেলের পুরো ফাইল অমিত শাহের কাছে রয়েছে। আগত সময়ে দেখা যাবে যে অমিত অনিলচন্দ্র শাহ কিভাবে পদক্ষেপ নেন। কিছুমাসের মধ্যে খেলা জমে উঠবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ কোনো ছোটো খাটো পদ নয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পরেই সবথেকে বেশি ক্ষমতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতেই থাকে।

রাজনাথ সিং ওই পদে থাকাকালীন সঠিকভাবে ক্ষমতার ব্যাবহার করতে পারেননি। তবে অমিত শাহ নিজের শক্তি ব্যাবহারে কতটা দক্ষ তা সকলের জানা। কিছু সময়ের মধ্যে হাতে নাতে তার ফল দেখা যেতে শুরু হবে। আগত সময়ের মধ্যে যদি চিদাম্বরম ও তার ছেলে জেলে থাকে তাও অবাক হবার কিছু নেই। সময় ও দেশের জনতা তাদের ক্ষমতা দেখিয়ে দিয়েছে। অমিত শাহকে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে বসিয়ে দিয়েছে। এখন শুধু খেলা দেখার পালা আম জনতার।

Comments are closed.

you're currently offline