সেনা আতঙ্কিদের খুঁজে খুঁজে মারছিল কিন্তু সেনার কাজে বাধা দিতে এলো পাথরবাজরা, তারপর সেনা যা করলো..

যখন থেকে কাশ্মীর ঘাঁটিতে সেনার হাত খুলে দেওয়া হয়েছে তখন থেকে প্রায় দিন সেনার সাথে আতঙ্কবাদীদের সংঘর্ষ লেগেই থাকে। কাশ্মীরে এখন সেনা আগের তুলনায় অনেক শক্তিশালী হয়ে উঠেছে কারণ জম্মুকাশমীরে বর্তমানে রাজ্যপাল শাসন জারি রয়েছে। এই কারণে সেনা জঙ্গি সাফাই অপেরাশনে লেগে পড়েছে। এর মধ্যে ৪ আগস্ট আতঙ্কবাদীদের সাথে সেনার একটা সংঘর্ষের ঘটনা সামনে এসেছে। সেনা যখন আতঙ্কিদের সাথে সংঘর্ষ করছিল সেই সময় পাথরবাজরা আতঙ্কিদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিল এবং সেনার উপর পাথর।ছুড়তে শুরু করেছিল।

দৈনিক জাগরণের খবর অনুযায়ী সেনা ৪ আগস্ট অর্থাৎ শনিবার ৫ আতঙ্কিকে শেষ করেদিয়েছে। এই সংঘর্ষ শোপিয়ানের কিলোর গ্রামে হয়েছে। জেইমাত্র এলাকার পাথরবাজরা খবর পেয়েছে যে সেনা আতঙ্কিদের উপর ভারী পড়ছে সেই মাত্র তারা দলে দলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে এবং সেনার উপর পাথর ছুঁড়তে শুরু করে। পাথরবাজরা সেনার কাজে বাধা দেওয়ার জন্য বিশাল সংখ্যায় পাথর ছুঁড়তে থাকে।

একদিকে সেনা আতঙ্কিদের সাথে লড়াই করছিল অন্যদিকে বহু সংখ্যায় পাথরবাজেরা সেনার উপর পাথর ছুড়ছিলো।মেহেবুবা সরকারের আমলে সেনার হাত এমনভাবেই বাধা ছিল যে পাথরবাজরা পাথর ছুড়লেও সেনা কিছু করতে পারতো না। কারণ পাথরবাজদের গায়ে হাত তুললেই মেহবুবা মুফতির সরকার সেনার জওয়ানদের উপর মামলা দায়ের করতো।

কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি অন্য ছিল, ঘাঁটিতে রাজ্যপাল শাসন ছিল তাই সেনাও পাথরবাজের উপর উল্টো আক্রমণ করতে শুরু করে যাতে প্রায় ২০ পাথরবাজ আহত হয়ে যায়। সেনার এই উল্টো আক্রমণে পাথরবাজদের সাহস সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায়, যার পর সেনার জওয়ানরা তাদের কাজ শুরু করে দেয়। আপনাদের জানিয়ে দি, শুক্রুবার থেকে শুরু হওয়া লাগাতার সংঘর্ষে ৫ আতঙ্কি মারা যাওয়ার খবর রয়েছে। বিগত ৩ দিন থেকে আতঙ্কিদের সাথে সেনার যে লড়াই চলছে তাতে মোট ৮ আতঙ্কিকে মারা হয়েছে।

you're currently offline

Open

Close