Press "Enter" to skip to content

Article 370 রদের পর পাথরবাজদের মাথায় বাজ, দু’বছরে সেনার উপর হামলার ঘটনা কল ৮৮ শতাংশ

নয়া ঃ  কাশ্মীর (Jammu-Kashmir) নিয়ে বড় স্বস্তির সামনে আসছে। পাথরবাজির (Stone Pelting) জন্য বিখ্যাত কাশ্মীরে এখন এমন ঘটনা ব্যাপক হারে কমে গিয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে নেওয়া কড়া পদক্ষেপ, করোনার জন্য জারি বিধি নিষেধ আর ৩৭০ ধারা রদ প্রধান কারণ হিসেবে উঠে আসছে। ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৯-র তুলনায় এই বছর এই ঘটনা ৮৮ শতাংশ কমেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই মাসের মধ্যে হওয়া পাথরবাজির ঘটনা ২০১৯-র জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত হওয়া পাথরবাজির ঘটনা থেকে ৮৮ শতাংশ কম। রিপোর্ট অনুযায়ী, পাথরবাজির ঘটনা কম হওয়ার কারণে সেনা আর নাগরিকদের আহত হওয়ার ঘটনাও ৮৪ এবং ৯৩ শতাংশ কমেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৯-র জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত উপত্যকায় ৬১৮টি পাথরবাজির ঘটনা ঘটেছিল। ২০২০ সালে ওই সময়ে ২২২টি ঘটনা ঘটে। আর ২০২১ সালে একই সময়ে মাত্র ৭৬টি ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি পাথরবাজিতে ২০১৯ সালে ৬৪ জন আহত হয়েছিলেন। আর ২০২১ সালে ১০ জন জওয়ান আহত হয়েছে। এছাড়াও পেলেট গান আর লাঠিচার্জের কারণে নাগরিকদের আহত হওয়ার সংখ্যা ২০১৯-এর ৩৩৯ থেকে কমে ২০২১ সালে মাত্র ২৫ হয়েছে।

অন্যদিকে অশান্তি ছড়ানো গোষ্ঠী ওভার-গ্রাউন্ড ওয়ার্কার্সদের ি এই দুই বছরে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে যেখানে ৮২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, সেখানে ২০২১ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে ১৭৮ হয়ে গিয়েছে।

বলে দিই, ৬ আগস্ট ২০১৯ সালে জম্মু কাশ্মীরের থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেয় আর গোটা রাজ্যকে দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেয়। এরপরই জম্মু কাশ্মীরে প্রচুর সেনা মোতায়েন করা হয়। অশান্তি ছড়ানো থামাতে গোটা উপত্যকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর করোনার কারণে লকডাউন চলাতেও পাথরবাজির ঘটনা কমে যায়। সম্প্রতি জম্মু কাশ্মীর প্রশাসন এটাও ঘোষণা করেছে যে, পাথরবাজির ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সরকারি চাকরি আর পাসপোর্ট কিছুই দেওয়া হবে না। এর জেরেও আগামী দিনে পাথরবাজির সংখ্যা আরও কমবে বলে আশা।