Press "Enter" to skip to content

অবৈধ বাংলাদেশি ইস্যুতে মমতা ব্যানার্জীর কুশপুতুল দাহ চলছে অসমে।

যে দিন থেকে এনআরসি তাদের তালিকা প্রকাশ করেছেন। সেই দিন থেকে সরকার বিভিন্ন ভাবে এই ইস্যু নিয়ে কেন্দ্র সরকারকে আক্রমণ করছে। সরকারের অনিচ্ছা থাকার সত্ত্বেও কথায় কথায় তিনি অসমে যাবার কথা তুলেছেন।এমনকি গৃহযুদ্ধ ও রক্তগঙ্গার মতো শব্দ ব্যবহার করে উত্তেজনা সৃষ্টির অভিযোগ এসেছে সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জীর উপর। যার পর বিজেপি সাংসদ স্বামী মমতার সরকারকে বরখাস্ত করে শাসনের দাবি তোলেন। উনার অভিযোগ মমতা দেশের নিরাপত্তা নিয়ে খেলা করছেন এবং দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছেন।

বর্তমানে সেই এনআরসি ইস্যু নিয়ে অসমে তৃনমূলের প্রতিনিধি দল পৌছেঁছেন, এবং তারা সেখানে পৌঁছাতেই তাদের কে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করে দিয়েছেন অসমবাসী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়ে অসমের গুয়াহাটিতে প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি পন্থি মহিলা সংগঠন গুলি। তাদের বিক্ষোভের মূল কারন ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাদের রাজ্য নিয়ে অযথা মিথ্যা প্রচার করছেন। যেখানে অর্ডার দিয়েছেন সেখানে তিনি কেন অসম নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন, এই সব কারনেই তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন।

অপর দিকে শিলচরে ঢোকার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন তৃনমূলের প্রতিনিধি দল। তাই প্রশাসনের তরফ থেকে পুরোপুরিভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে তাদের কে আটকানোর জন্য। জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যে প্রচুর পরিমানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে শিলচর বিমানবন্দরের সামনে। প্রশাসনের কথা হচ্ছে যে, কোনো পরিস্থিতিতেই তৃনমূলের কাউকে অসমে ঢুকতে দেওয়া যাবে না, তার কারন তারা সেখানে অশান্তি ছড়াবেন।

এই মুহুতে অসমে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। সেই ধারা কে অমান্য করে শিলচরের ভিতরে যাতে তৃণমূল প্রতিনিধিরা ঢুকতে না পারে সেই দিকে কড়া নজর থাকছে প্রশাসনের। এই দিকে শিলচরে সুস্মিতা দেব যিনি সংসদ তিনি জানিয়েছেন যে, উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন বাঙালিরা। যদিও মিডিয়া সূত্রে এমন কোনো খবর পাওয়া যায়নি। কেন্দ্র আসামের সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে অর্ধসেনা নামিয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু তৃণমূল পরিস্থিতিকে খারাপ করার জন্য উপস্থিত হয়েছেও আসামে যার সাথ দিচ্ছে কংগ্রেস।
#অগ্নিপুত্র