Press "Enter" to skip to content

মোহন ভাগবতের ‘জংলী কুকুর’ মন্তব্যে রেগে লাল মুসলিম নেতা আসাউদ্দিন ওয়েসী! বললেন কুকুর..

পুরো বিশ্বে এখন কিছু মাত্র দেশ রয়েছে যেখনে হিন্দুর অস্থিত অবশিষ্ট রয়েছে। বিদেশে বহু জায়গায় হিন্দুদের উপর আক্রমণ নিত্য ঘটনার অংশে পরিণত হয়েছে। পাকিস্থানে মাত্র ২ শতাংশ বেঁচে রয়েছে তো বাংলাদেশে ৭ শতাংশ টিকে রয়েছে। লাগাতার অত্যাচারের কারণে বাংলাদেশ ও পাকিস্থানের হিন্দুরা সেই দেশ ছেড়ে ভারত আসতে শুরু করেছেন এবং ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিছু ভারতীয় উপমহাদেশের বাইরে গিয়ে বসে যাচ্ছে এবং নিজের দেশকেই ভুলতে শুরু করছে। এর মধ্যে প্রমুখ একতার পতাকা উঠিয়ে তা আমেরিকায় উড়িয়েছেন। এরপর থেকে কংগ্রেসি,বামপন্থী, কট্টরপন্থী নেতারা হিচকিচিয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি আমেরিকায় বিশ্ব সম্মেলনে সঙ্ঘ প্রমুখ মোহন ভাগবত হিন্দুদের এক হওয়ার জোরদার সন্দেশ দিয়েছেন। উনি বলেছেন যদি কোনো সিংহ একা থাকে তাহলে মিলে সিংহের শিকার করে নেয়।

উনি হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদেরকে একজোট হয়ে মানব সম্প্রদায়ের ভলোর জন্য কাজ করতে বলেন। অন্যদিকে মোহন ভাগবতের এই বক্তব্যের উপর বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিতর্ক এই যে জংলী কুকুর কাদের বলা হয়েছে! কিছুজন সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন জংলী কুকুর নিশ্চই মহাজোট বন্ধনকে বলা হয়েছে যা ২০১৯ এ মোদী সরকারের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছে। কিছুজন বলেছেন হিন্দুবিরোধী কট্টরপন্থীদের জংলী কুকুর বলা হয়েছে। কিছুজনের দাবি এটা সামান্য একটা উদাহরনের জন্য ব্যাবহার করেছেন মোহন ভাগবত। তবে ওয়েসির মতো নেতা মোহন ভাগবতের বক্তব্যে হিচকিচিয়ে উঠেছেন এবং ভাগবতের আলোচনা শুরু করেছেন। বলেছেন ভাগবত কাকে হিন্দু কাদের জংলী কুকুর বলছেন? এইগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠের রাজনীতি হচ্ছে।

ওয়েসী নিজের কট্টরতাপূর্ন মন্তব্যে জবাব না দিলেও মোহন ভাগবতের নিন্দা করতে শুরু করেছেন। আসাউদ্দিন ওয়েসীর কিছু কট্টর বক্তব্য যেমন ‘চারিদিকে সবুজে সবুজ করে দেব’ , ‘সকলকে বানিয়ে দেব’ এই বিষয়ে এখনো উত্তর দেননি তিনি। ওয়েসীকে কেউ রাষ্ট্রগান গাইতে বললে অথবা ভারতমাতা কি জয় বলতে বললে উনার ভেতরের কট্টর মানসিকরা চরমভাবে বেরিয়ে আসে এবং সংবিধানের দোহাই দিতে শুরু করেন। অন্যদিকে ওয়েসীর ছোট ভাই আকবরউদ্দিন বলেন, যদি পুলিশকে হটিয়ে দেওয়া হয় তাহলে ১৫ মিনিটের মধ্যে ভারতের ২৫ কোটি ১০০ কোটি হিন্দুকে শেষ করে দিতে পারে।

এই বক্তব্য কোনো আতঙ্কবাদী সংগঠন নয় বরং ওয়েসীর ছোট ভাই আকবর উদ্দিন দিয়েছে। আসলে এদের মতো মানসিকতার ব্যাক্তি ধার্মিক কট্টরতা ছড়িয়ে সেখান রাজ করতে চান। কিন্তু সেখানেই মোহন ভাগবত প্রতিনিধিদের সম্বোধিত করে বলেন নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই হিন্দুদের। উনি বলেন হিন্দু সমাজ তখনই সমৃদ্ধ হবে যখন হিন্দুরা সমাজের এক হয়ে কাজ করবে। জানিয়ে দি দেশে এমনকিছু কংগ্রেস নেতা রয়েছে যারা অন্য কোনো ধর্মের মধ্যে আতঙ্কবাদ দেখতে না পেলেও হিন্দুত্বকে আতঙ্কবাদ তকমা দিয়ে দিয়েছেন। কংগ্রেসের দিগ্বিজয় সিং খোলাখুলি হিন্দুত্বকে আতঙ্কবাদ বলেছিলেন।

ভাগবত বলেন, ‘আমাদের কাজের প্রথম প্রথম যখন আমাদের কাজকর্তা হিন্দু যুবকদের সঙ্ঘে যোগ দেওয়ার জন্য বলতেন তখন উত্তর আসতো সিংহ কখনো দলে চলে না। কিন্তু জঙ্গলের রাজা সিংহ বা রয়েল বেঙ্গল টাইগার একা থাকলে জংলী কুকুর হামলা করে সিংহ ও বাঘের শিকার করে নিতে পারে।’ হিন্দু ধর্মের মধ্যে সবথেকে বেশি প্রতিভাবান ব্যাক্তি রয়েছে একথাও উল্লেখ করেন তিনি। ভাগবত বলেন হিন্দুরা অন্যের বিরোধ করার জন্য জীবনযাপন করে না, হিন্দু ধর্মে পোকামাকড় কেউ মারা হয় না তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

পাঠকদের জন্য প্রশ্নঃ মোহন ভাগবত কি সঠিক কথা বলেছেন ?