Press "Enter" to skip to content

এশিয়ান গেমসে ভারত ও পাকিস্থানের মেডেল সংখ্যার পার্থক্য দেখলে হতবাক হবেন।

১৮ তম ে আরো একবার ীয় খেলোয়াড়রা ের মুখ উজ্জল করেছে। মোট ৬৯ মেডেল এনেছে যার মধ্যে ১৫ টি গোল্ড, ২৪ টি সিলভার ও ৩০ টি ব্রঞ্চ মেডেল আনতে সক্ষম হয়েছে। ২০১৪ এশিয়ান গেমসে ১১ টি গোল্ড, ১০ টি সিলভার,৩৬ টি ব্রঞ্চ নিয়ে মোট ৫৭ টি মেডেল আনতে সক্ষম হয়েছিল। অর্থাৎ মেডেল সংখ্যার দিক থেকে বেশকিছুটা এগিয়েছে।

তিরান্দাজে ভারত ২ টি সিলভার মেডেল জিততে সক্ষম হয়েছে।

বাটমিন্টনে দুটি সিলভার ও একটা ব্রঞ্চ মেডেল জিততে সক্ষম হয়েছে ভারত। পি ভি সিঁন্ধু ও সাইন নেহায়াল দুজইনেই মেডেল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

বক্সিং এ ভারত দুটি মেডেল অর্জন করেছে যার মধ্যে একটা গোল্ড ও একটা ব্রোঞ্ অর্জন করেছে।

শুটিং এ ভারত ১০ টি মেডেল অর্জন করেছে যার মধ্যে ২ টি গোল্ড, ৪ টি সিলভার মেডেল রয়েছে।

হকিতে ভারত ১ টি সিলভার ও ১ টি ব্রোঞ্চ মেডেল অর্জন করেছে।

কাবাডিতে একটা ১ টি সিলভার ও ১ টি ব্রোঞ্চ মেডেল অর্জন করেছে ভারত।

টেনিসে ২ টি গোল্ড মেডেল ও ১ টি ব্রোঞ্চ মেডেল অর্জন করেছে ভারত।

এছাড়াও, ওয়েইট লিফটিং, টেবিল টেনিস, রোয়িং, টেবিল টেনিস, ব্রিজ, মার্শাল আর্ট সব কিছুতেই মেডেল অর্জন করে ভারতের গৌরব বাড়িয়েছে। জানিয়ে দি এশিয়ান গেমসে এমন সফলতা ভারত সর্বোচ্চ সফলতা। ভারত সরকার খেলোয়াড়দের সমস্ত রকম উৎসাহ প্রদান করেছিল এবং খেলোয়াড়দের জন্য ক্যাশ এওয়ার্ড ঘোষণা করেছে। প্রত্যেক গোল্ড মেডেল জয়ী খেলোয়াড়ের জন্য ৪০ লক্ষ টাকা, প্রত্যেক সিলভার মেডেল জয়ী খেলোয়াড়ের জন্য ২০ লক্ষ টাকা ও ব্রোঞ্চ মেডেল জয়ী খেলোয়াড়ের জন্য ১০ লক্ষ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও রাজ্য সরকার নিজেদের ইচ্ছামতো ক্যাশ পুরস্কার ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে প্রতিবেশী ও জঙ্গি উৎপাদনে শ্রেষ্ঠ দেশ এশিয়ান গেমসে কেমন ফলাফল করছে তা জানার পর আপনিও হতবাক হবেন। গোল্ড মেডেল অর্জন করেছে শূন্যটি, সিলভার মেডেল অর্জন করেছে শূন্যটি, ব্রোঞ্চ মেডেল অর্জন করেছে ৪ টি। যেখানে ভারত মোট ৬৯ টি মেডেল অর্জন করে রেকর্ড তৈরি করেছে সেখানে মোট মেডেল অর্জন করেছে ৪ টি।

নেপাল,মালয়েশিয়া, নর্থ কোরিয়ার মতো ছোট ছোট দেশ পাকিস্থানকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। ভারতীয় খেলোয়াড়রা জানিয়েছে ভারত সরকার যথাযত ভাবে পাশে ছিল এবং লাগাতার উৎসাহ প্রদান করেছিল। অন্যদিকে পাকিস্থানের এক চ্যানেলে ৩ পাকিস্থানি খেলোয়াড় দাবি করেছে যে তারা পাকিস্থানের সরকার থেকে কোনো সাহায্য পাইনি। তাদেরকে খাওয়া দাওয়া পর্যন্ত ১৯৮০ সালের মতো দেওয়া হতো বলে অভিযোগ এনেছে।