Press "Enter" to skip to content

২০ বছর ধরে উদার হিন্দুদের, হিন্দু গুরুজি সেজে ঠকিয়ে, ধর্ষণ করে পলাতক আসিফ খান।

উদারতার সুযোগ নিয়ে বহুবার ঠকানো হয়েছে হিন্দুদের, এমনকি উদারতার সুযোগ নিয়ে হিন্দুস্থানকে কয়েক টুকরোতে ভেঙে দেওয়া হয়েছে যার প্রক্রিয়া এখনো চালু রয়েছে। শুধু হিন্দুদের দেশ ভাঙা নয় হিন্দুদের উদারতার সুযোগ নিয়ে বহুবার অত্যাচার ও ভণ্ডামি করা হয়েছে হিন্দুদের। যার আরো এক উদাহরণ উঠে এলো সম্প্রতি এক ঘটনায়। ২০ বছর ধরে দিল্লিতে উদার হিন্দুদের মূর্খ বানিয়ে লুটেছে মোহম্মদ । শুধু লুটে নেওয়া নয়, একই সাথে বহু মহিলাকে ধর্ষণ করেছে এই মোহম্মদ আরো কিছু মহিলাকে ধর্ষণ করার ধান্দায় ছিল কিন্তু একজন মহিলা ভয় না পেয়ে সবার কাছে আশু ভাই গুরুজি নামে পরিচিত ের সমস্থ কিছু পর্দাফাঁস করে দেয়। এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে এবং দিল্লি পুলিশ খোঁজে নেমে পড়েছে। জানিয়ে দি হিন্দুদের মূর্খ বানানোর সাথে সাথে ইসলাম ধর্মের প্রতি আকর্ষণ করার ইঙ্গিত দিত।

আপনারা হয়তো ভেবে থাকতে পারেন যে এই একটাই আসিফ খান, আশু গুরুজি সেজে হিন্দুদের মূর্খ বানিয়েছে। আসলে ভারতে এইরকম হাজার হাজার আসিফ খান রয়েছে যারা হিন্দু ধর্মের বদনাম, হিন্দুদের লুট ও সাধুদের উপর দাগ লাগাবার জন্য প্রতিনিয়ত নিজেদের এজেন্ডা চালিয়ে যাচ্ছে। আগের বছর আখাড়া পরিষদ এই রকম হাজার ভন্ড লোকের নাম প্রকাশ করেছিল যারা হিন্দু সেজে হিন্দু ধর্মের অপপ্রচার করছে। প্রকাশিত নামের তালিকায় এই আসিফ খানে ও প্রমোদ কৃষ্ণনানের নাম সামিল ছিল।

আসিফ খান দিল্লিতে একটা আশ্রম খুলে বসে ছিল এবং সেখানে বহু হিন্দু মহিলা ও হিন্দু মেয়েদের সাথে খারাপ কাজ করেছে। আশু ভাই গুরু এতদিন আসিফ খান নামে ঘুরে বেড়াচ্ছিল যার আসল রূপ সবার সামনে চলে এসেছে তবে এবার প্রমোদ কৃষ্ণনানের উপরেও তদন্ত হওয়া উচিত। কারণ এই প্রমোদ কৃষ্ণানের নাম আগে প্রমোদ ত্যাগী ছিল আর তারও আগে তার নাম কি ছিল সেই নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। প্রমোদ কৃষ্ণান আগে কংগ্রেসের নেতা ছিল এবং কগ্রেসের হয়ে নির্বাচনও লড়েছে। তবে কখনো জিততে পারেনি, তাই শেষ অবধি এখন আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণান সেজে কংগ্রেসের পক্ষপাতি করে। শুধু এই নয় প্রমোদ কৃষ্ণনানের এমন বহু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল রয়েছে যেখানে সে নামাজ, কালমা ও কোরানের পাঠ পড়ছে এবং পুরো মৌলানাদের মতোই পড়েছে।

যার জন্য কিছুজন উনার উপরেও ভন্ড হওয়ার আঙুল তুলেছে।কিছুদিন আগে রোহিঙ্গা মুসলিমরা সাধু সেজে ঘুরে বেড়াচ্ছিল যাদের পাকড়াও করা হয়েছিল এখন এইরকম আরো ঘটনা একের পর এক সামনে আসতে শুরু করেছে। জানিয়ে দি দেশের যে দালাল মিডিয়া চ্যানেলগুলোতে এসে এই আশু গুরুজি অর্থাৎ আসিফ খান নিজের বক্তৃতা দিত সেই চ্যানেলগুলো এখন এই বিষয়ে কোনো কথা বলতেই চাইছে না। এমনকি দেশের কিছু নামিদামি মিডিয়া তাদের ওয়েবসাইটে প্রচার করছে যে, ধর্ষণকারী একজন হিন্দু সাধু যার নাম আশু গুরুজি। অর্থাৎ আসিফ খান নাম লুকিয়ে চলছে হিন্দুদের বদনাম করার বড়ো ষড়যন্ত্র।