Press "Enter" to skip to content

সংখ্যালঘুদের ‘জয় শ্রী রাম” স্লোগান না দেওয়ার জন্য মারধর করার ঘটনা মিথ্যে, জোর করে দেওয়া হচ্ছে সাম্প্রদায়িক রঙ

উত্তর প্রদেশের উন্নাও জেলাতা শুক্রবার ক্রিকেট খেলা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারপিট হয়। অভি ওঠে যে, ক্রিকেট খেলা নিয়ে হওয়া ঝগড়ার পর ‘জয় শ্রী ” ধ্বনি না দেওয়ার জন্য মাদ্রাসার ছাত্রদের মারধর করা হয়। শনিবার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট েন্দ্র আর এসপি এম.পি বর্মা জানান যে, ‘জয় শ্রী রাম” নিয়ে মারপিট হয়েছিল না। এই ঘটনা উত্তর প্রদেশের উন্নাও জেলার রাজকীয় ইন্টার কলেজের ময়দানের। সেখানে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফৈজ-এ-আম এর ছাত্ররা ক্রিকেট খেলছিল। খেলা চলাকালীন দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়ে যায়।

ডিএম দেবেন্দ্র আর এসপি বর্মা যৌথ ভাবে একটি প্রেস কনফারেন্স করেন। ওই প্রেস কনফারেন্সে অভিযুক্তকে মিডিয়ার সামনে পেশ করা হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ভারতী নামের এক যুবককে করে পুলিশ। তিন অভিযুক্ত গোলু, দীপাংশু আর সন্তোষ কুমার এখনো পলাতক।

দারুল উলুম ফৈজ-এ-আম এর মাদ্রাসা ছাত্ররা অভিযোগ করে জানায় যে, কিছু যুবক ব্যাট দিয়ে তাঁদের মারধর করে। মদ্রাসা ছাত্ররা অভিযোগ করে যে, অভিযুক্ত যুবকেরা তাঁদের জয় শ্রী রাম বলার জন্য বাধ্য করতে থাকে। আর জয় শ্রী রাম না বলার জন্য তাঁদের মারধর করা হয়।

এই ঘটনায় উন্নাও এর জামা মসজিদ এর মৌলানা নঈম মিসবাহি বলেন, ক্রিকেট খেলা কয়েকজন মাদ্রাসা ছাত্রকে মারধর করা হয়, কারণ তাঁরা জয় শ্রী রাম বলতে চাইছিল না। অভিযুক্তরা মাদ্রাসা ছাত্রদের উপর পাথর ছোড়ে। মৌলানা বলেন, অভিযুক্তদের ফেসবুক প্রোফাইলে দেখা যায় যে, তাঁরা বজরং দলের সদস্য।

যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের মতে খেলা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়, আর তারপরে দুই পক্ষের মধ্যে মারপিট হয়। কিন্তু কেউ জয় শ্রী রাম স্লোগান দেওয়ার জন্য কাউকে বাধ্য করেনি। অযথা এই ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রং দেওয়া হচ্ছে।