Press "Enter" to skip to content

‘অযোধ্যায় ভগবান শ্রী রামের মন্দির তৈরি করাই হবে অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রতি আসল শ্রদ্ধাঞ্জলি।’ – এমনটাই বললেন এই বিজেপি নেতা।

‘অযোধ্যায় ভগবান শ্রী রামের মন্দির তৈরি করাই হবে অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রতি আসল শ্রদ্ধাঞ্জলি।’

ভারতরত্ন, ভারতের পূর্ব প্রধানমন্ত্রী গতকাল সংসার ছেড়ে পরলোকগমন করেছেন। কাল বিকেল ৫.০৫ টেয় অটলজি দিল্লির এমসে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করে সর্গবাস করেছেন। কাল অটলজিকে লোকজন বিভিন্নভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলী দিচ্ছিলেন এবং শোক পালন করছিলেন। অন্যদিকে দিকে কেজরিওয়ালের মতো সার্থন্বেষী নেতারা নিজেদের জন্মদিন পালন ও কেক কাটতে ব্যাস্ত ছিলেন। আসলে এমন একজন নেতা ছিলেন যার সন্মান সমস্ত বর্গের সমস্ত পার্টির নেতারা করতেন কারণ রাজধর্ম কিভাবে পালন করতে হয়, বিরোধে থাকাকালীন কিভাবে সরকারকে কাঠগোড়ায় দাঁড় করিয়ে দিতে হয় তা হয়তো অটলজির থেকে ভালো কেউ জানতেন না। এই কারণেই দেশের সমস্ত মানুষ গতকাল শোকপালন ও শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়ে অটল বিহারী বাজপেয়ীজির আত্মমার জন্য শান্তি কামনা করেন। এই পরিপেক্ষিতে বিজেপির হিন্দুবাদী নেতা কপিল মিশ্র একটা বড়ো মন্তব্য করে দিয়েছেন যা চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রথমে আপনাদের জানিয়ে দি, অটল বিহারী বাজপেয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামী, নেতা, পত্রকার, কবি অনেক কিছুই ছিলেন। অর্থাৎ বহু প্রতিভাসম্পন্ন ভারত মাতার এক সুপুত্র ছিলেন অটলজি। সেই সাথে অটল বিহারী বাজপেয়ীজি একজন করসেবকও ছিলেন। হ্যাঁ অটল বিহারী বাজপেয়ী একজন করসেবক , স্বভিমান সনাতনী ও রাম ভক্ত ছিলেন। অটলজির স্বপ্ন ছিল রাম মন্দির দেখা, আজ সবথেকে দুঃখের বিষয় এই যে আজ ভগবান শ্রী রামের মন্দির , শ্রী রামের ঘর না দেখেই চলে গেলেন অটল বিহারী বাজপেয়ীজি।

কপিল মিশ্র টুইট করে বলেছেন অযোধ্যায় ভগবান শ্রী রামের মন্দির তৈরি করাই হবে উনার রাজনৈতিক জীবনের আসল শ্রদ্ধাঞ্জলী। কপিল মিশ্র এর এই দাবি খুবই বৈধ এবং আমাদের উচিত এই মন্তব্যকে সমর্থন করা। অটলজি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, উনি নিজের চোখে আর রাম মন্দির দেখতে পাবেন না। কিন্তু সনাতন হিন্দু ধর্মে এটা মান্যতা পাপ্ত যে, কোনো ব্যক্তির আত্মা কখনো মারা যায় না, আত্মা চিরঅমর। আর রাম মন্দির নির্মাণ করেই অটলজির আত্মাকে সত্তিকারের শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হবে। অটলজির ইচ্ছা যততাড়াতাড়ি সম্ভব হয় তার চেষ্টা আমাদের করতে হবে।

অটল বিহারী বাজপেয়ী বলতেন, “ভারত কোনো জমির টুকরো নয়, এটা একটা জীবন্ত রাষ্ট্রপুরুষ। ভারত বন্দনার ভূমি, অভিনন্দনের ভূমি। এটা অর্পণের ভূমি, এটাই তর্পনের ভূমি। এখনের এক একটা নদী আমাদের জন্য গঙ্গা , এখনের প্রত্যেক কঙ্কর আমাদের জন্য শঙ্কর। আমরা বেঁচে থাকবো তাও এই ভারতের জন্য আর মরবো এই ভারতের জন্য। আর মৃত্যুর পরেও গঙ্গা জলে বয়ে চলা আমাদের অস্তিতে যদি কেউ কান লাগিয়ে শোনে তাহলে একটাই আওয়াজ আসবে-ভারত মাতা কি জয়।”

Home