Press "Enter" to skip to content

পাকিস্তানের এই মহিলা সাংবাদিক যখন অটলজিকে বলেছিলেন ” আমাকে বিয়ে করে কাশ্মীরি দিয়ে দিন”, উত্তরে অটলজি বলেছিলেন …

ভারত দেশে এমন এমন গুণী,জ্ঞানী, প্রতিভাশালী হয়েছিলেন যারা দেশের জন্য নিজেকে সম্পূর্ণরূপে সমর্পিত করে দিয়েছিলেন। এই সমস্থ প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বার্থেই জীবন কাটিয়েছিলেন এবং দেশের মাথা উঁচু করার জন্য নিজের সর্বস্ব ত্যাগ করেছিলেন। এমনি এক দেশভক্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী।
পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীজি আমাদের মধ্যে নেই, উনি পঞ্চতত্ত্বে বিলীন হয়ে গিয়েছেন। উনার প্রাণ ত্যাগের কারণ ইউরিন ইনফেকশনকে বলা হয়েছিল। জানিয়ে দি, অটলজির জন্মগ্রহণ করেছিলেন ২৫ শে ডিসেম্বর ১৯২৪ সালে মধ্যেপ্রদেশ রাজ্যের গোয়ালিয়রের সিন্ধ ছাউনিতে।

অটল বিহারী বাজপেয়ীজির মায়ের ও বাবার নাম ছিল কৃষ্ণা দেবী এবং কৃষ্ণ বিহারী বাজপেয়ী। অটলজির বাবা গোয়ালিয়রের এক কলেজের অধ্যাপক ছিলেন। বাজপেয়ী এতটাই প্রভাবশালী নেতা ছিলেন উনার থেকে বড়ো ও অভিজ্ঞ নেতারাও উনার ভক্ত ছিলেন। বড়ো বড়ো নেতারা সদনে উনার বক্তব্য বাধা না দিয়েই শুনতেন। অটলজির জীবনে এমন অনেক ঘটনা আছে যা প্রভাবিত করার মতো। এমনি এক ঘটনা আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। ঘটনাটি ১৯৯৯ সালের, যখন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ভারত ও ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো করার জন্য বাস পরিষেবা চালু করেছিলেন।

অমৃতসর-লাহোর বাসপরিষেবা চালু করার পর প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী নিজে বাসে যাত্রা করে পাকিস্থান পৌঁছেছিলেন। লাহোর পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী অটলজিকে দারুনভাবে স্বাগত জানিয়েছিল পাকিস্তানিরা। অটলজিও গভর্নর হাউস থেকে অভুতপূর্ব ভাষণ দিয়ে পুরো জগতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। পাকিস্থানকে উদেশ্য করে অটলজি বলেছিলেন ” তুমি বন্ধু বদলাতে পারবে কিন্তু প্রতিবেশী নয়, তুমি ইতিহাস বদলাতে পারবে কিন্তু ভূগোল নয়।”

অটল বিহারী বাজপেয়ীর অসাধারণ ভাষণের পর সেখানে এক পাকিস্থানি মহিলা রিপোর্টার অটলজিকে প্রশ্ন করে বলেন, “আপনি এখনো বিয়ে কেন করেননি? আমি আপনাকে বিয়ে করতে পারি কিন্তু একটা শর্ত থাকবে। শর্ত হলো বিয়েতে মুখ দেখার সময় পুরো কাশ্মীর আমাদেরকে দিয়ে দেবেন।” এটা শুনে অটলজি হেসে পড়েন এবং জবাব দিয়ে বলেন, আমি বিয়ের জন্য প্রস্তুত কিন্তু আমাকে পন ও যৌতুক হিসেবে পুরো পাকিস্থান দেশ দিতে হবে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলজির এই দূর্দান্ত উত্তর শুনে উপস্থিত সকলেই হতভম্ব হয়ে হেসে পড়েছিলেন।