Press "Enter" to skip to content

একে অপরের কট্টর শত্রু ইরান আর ইজরায়েল, কিন্তু ভারতের স্বার্থে দুজনাই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে! এটাই মোদীজির সফল বিদেশনীতি

নিজের কার্যকালে অনেক বিদেশ সফর করেছেন, আর সেই বিদেশ সফরের লাভ এখন দেখা যাচ্ছে। ভারতের চিত্র গোটা দুনিয়ায় উজ্বল হচ্ছে। আর মোদীজির এই বিদেশ নীতির ফলে একে অপরের চরম শত্রু ইজরাইল আর ভারতের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

ইরান আর ইজরাইলের মধ্যে সম্পর্ক যে কতটা খারাপ তা কারও অজানা নেই। দুই দেশ একে অপরকে ধ্বংস করার জন্য প্রায় দিনই হুমকি দেয়। এই দুই দেশের শত্রুতা সমন্ধ্যে গোটা দুনিয়া জানে। কিন্তু পাকিস্তান আর জঙ্গি মোকাবিলার জন্য এই দুই দেশ ভারতের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আর এই দুই দেশেই ভারতকে সবথেকে বেশি সাহায্যের আশ্বাস দিচ্ছে। পুলওয়ামা হামলার পর ইজরাইল ভারতকে সমর্থন করে, যুদ্ধ ক্ষেত্রে আনলিমিটেড সাহায্যের আশ্বাস দেয়।

আরেকদিকে পাকিস্তান আর সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ইরান ও সম্পূর্ণ ভাবে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে। আর ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে ইরান এখন পাকিস্তানকে যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে। এটা একমাত্র সম্ভব হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর সফল বিদেশ নীতির ফলে। আর ওনার সফল বিদেশ নীতির ফলেই পাকিস্তান আর সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ইরান আর ইজরাইল যারা একে অপরের শত্রু ছিল, তাঁরাই এখন ভারতের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে।

আর্থিক দিক দিয়ে নরেন্দ্র মোদী ১৫ই ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিয়েছিল। আর সেটার আতঙ্ক এখন পাকিস্তানি মিডিয়া আর ব্যাবসায়িদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। ১ মাসেই পাকিস্তানের বরবাদি গোটা দুনিয়া দেখবে। আর তাঁর সাথে সাথে পাকিস্তান ভারতের পাল্টা হানার জন্যেও চরম আতঙ্কে আছে। তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে কখনো রাষ্ট্র সঙ্ঘের দরজায় ভিক্ষা চাইছে, তো এখনো নিজেদের পরমাণু শক্তিধর দেশ বলে ভারতকে ভয় পাওয়ানোর চেষ্টা করছে।

ভারত এখন পাকিস্তানের আর্থিক ক্ষতি করেছে, এবার সামরিক দিক দিয়ে আক্রমণ ও করবে। আর বিশ্বের অন্য দেশেও পাকিস্তানের অবস্থা খারাপ করে দেবে। যারা এতদিন ধরে বারবার মোদীর বিদেশ যাত্রা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিল, তাঁদের মাথায় এখন এটা ঢুকে গেছে যে, নরেন্দ্র মোদী মুখ দেখাতে বা ঘুরতে বিদেশে জান নি।

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.