Press "Enter" to skip to content

আজকের দিনেই আজাদ হিন্দ সরকারের স্থাপন করে ভারতের স্বাধীনতার রূপরেখা গড়েছিলেন নেতাজি!

ভারত ১৯৪৭ সালে তৈরি হওয়া কোনো দেশ নয়, এটা বিশ্বের সবথেকে প্রাচীন ও মহান দেশ। হিন্দুদের একতার অভাবে ইংরেজরা কবজা করেনিয়েছিল। এখনো অবধি যদি কাউকে জিজ্ঞাসা করা হয় ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নাম কি? উত্তরে আসে জওহরলাল নেহেরু। কিন্তু আসল উত্তর একদম অন্য। । দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, বিশ্বের অনেক দেশ এটাকে মান্যতা দিয়েছিল। ৩০ ডিসেম্বর ১৯৪৩ সালে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ স্বাধীনতা লাভ করে যারপর জার্মানি, জাপান সহ ১১ দেশের মান্যতা সহ ভারতের প্রথম সরকার তৈরি হয়। যার প্রধানমন্ত্রী, রক্ষা মন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী পদে পছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। জানিয়ে দি, ের নিজস্ব ব্যাঙ্ক, সূচনাতন্ত্র ও কিছুদেশে ভারতের রাজদূত ছিল। ের নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থাও ছিল।

জানিয়ে দি, ইংরেজরা ভারত ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল তার মূল কারণ ছিল আজাদ হিন্দ সরকার। ইংরেজরা এটা ভালো করে জানতো যে প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়নি। পুরোটাই নেতাজির পরিকল্পনা। নেতাজি আবার আক্রমন করবেন এটা ইংরেজরা জেনেই তড়িঘড়ি ভারত ত্যাগ করেছিল। এই কারণে ইংরেজরা ভারতকে স্বাধীন করার বদলে ভারতকে ভেঙে দিয়েছিল এবং ভারতের ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল নেহেরুর হাতে। মাউন্টব্যাটেন এর সাথে নেহেরু বৈঠকের পর ভারতকে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তর চুক্তিতে রাজি হন।

আজাদ হিন্দ সরকারের মহিলা সেনা

জানিয়ে দি, নেতাজি শুধু ভারতের নেতা ছিলেন না। সুভাষ চন্দ্র বসু পুরো দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান নেতা হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন। তখনকার দিনে সব বড়ো নেতাদের ৬ থেকে ৭ জন করে বহুরূপী থাকতো। কিন্তু নেতাজির ছিল ১৬ জন বহুরূপী। যারা ছিলেন প্রায় নেতাজির মতোই দেখতে। ৩ জুলাই ১৯৪৩ সালে যখন নেতাজি সিঙ্গাপুর গেলেন তখন পূর্ব এশিয়া বাসীরা উনার জন্য একটা গান তৈরি করেছিলেন। গানটা ছিল- “সুভাষজি ও সুভাষজি, ও জানে হিন্দ আ গেয়ে।”  ১৯৪৩ সালের ২১ শে অক্টোবর আজাদ হিন্দ সরকারের স্থাপন হয়েছিল। মায়ানমারে রেঙ্গুনে ছিল এই সরকারের রাজধানী।

পূর্ব এশিয়াবাসী নেতাজিকে শান-এ-হিন্দ বলেও সম্বোধন করতেন। নেতাজি তার শেষ জীবন উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদ বলে দাবি করা হয়। তবে অনেক নেতাজিপ্রেমীর এটাও ধারণা যে নেতাজি যেহেতু যোগী পুরুষ ছিলেন তাই তিনি এখনও বেঁচে আছেন এবং অখণ্ড ভারত গড়ার উপর কাজ করছেন। বিষয়টা শুনতে কাল্পনিক মনে হলেও যে তথ্য দিয়ে তারা এই দাবি করে সেটা উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়।